আরজি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত তরুণী চিকিৎসককে খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় তোলপাড় গোটা রাজ্য। ঘটনায় গ্রেফতার কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলেন্টিয়ার। ময়নাতদন্তে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। আর এই নৃশংস ঘটনার পরেই আরজি কর সহ বিভিন্ন হাসপাতালে চলছে বিক্ষোভ। কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসক এবং নার্সিং পড়ুয়ারা। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষরা আরজি কর-কাণ্ডের সমালোচনা করেছেন। একই সঙ্গে একাধিক ওয়াকিবহাল মহলে প্রশ্ন উঠছে কেন তড়িঘড়ি ওই ধর্ষিত তরুণীর দেহ পুড়িয়ে ফেলা হল।
ইতিমধ্যেই পূর্ণাঙ্গ ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ওই চিকিৎসকের যৌনাঙ্গে খত চিহ্ন পাওয়া গেছে। চিকিৎসার পরিভাষায় যার নাম ‘পেরিমর্টম’। যার অর্থ হল দেহের শারীরিক ক্ষমতা না থাকার পরেও কারোর উপর শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে যাওয়া। অর্থাৎ এই রিপোর্ট অনুযায়ী ওই তরুনী চিকিৎসককে নিস্তেজ হয়ে যাওয়ার পরেও তাঁর উপর চালিয়ে যাওয়া হয়েছে ধর্ষণ। কিন্তু এত কিছুর পরেও ওই অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ারকে উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে ন।


পাশাপাশি ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের মতে প্রথমে ওই চিকিৎসককে আক্রমণ করে মারধর করা হয়। এরপর তরুনী শারীরিক ভাবে অক্ষম হয়ে যাওয়ার পরেই তাঁকে ধর্ষণ করা হয়। এই এত গুলো ঘটনা মাত্র ৩০ মিনিটে একজনের পক্ষে সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে একাধিক ব্যাক্তির যোগ রয়েছে বলেই অনুমান। আর এখানেই ওয়াকিবহাল মহলে প্রশ্ন ওই তরুণী চিকিৎসকের মৃতদেহ থেকে আরও একাধিক তথ্য পাওয়া যেত যারা ভিত্তিতে আরও দ্রুত এগোতে পারত তদন্ত। তাহলে কেন তড়িঘড়ি শুক্রবার রাতেই পুড়িয়ে ফেলা হল দেহ? তা নিয়ে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
আর এই ঘটনায় রবিবার সমাজ মাধ্যমে কবিতার মাধ্যমে দুঃখপ্রকাশ ও প্রতিবাদ করলেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। তিনি তাঁর কবিতার লাইনে উল্লেখ করেছেন,”পড়ছে মনে ভুলে যাওয়া ধনঞ্জয়ের কথা, যাবত-জীবন শেষের আগেই ফাঁসির গল্প গাথা। সেম সিলেবাস এ গল্পতেও হয়তো বুনছে রাজা-রানি, তাই তড়িঘড়ি জ্বালাল মেয়ে কেন সবাই জানি।”







