নজরবন্দি ব্যুরোঃ বহুদিন ধরেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে উত্তপ্ত ছিল বেহালা পূর্ব বিধানসভার চড়কতলা। আগে ও বেশকিছু ওয়ার্ডের দখলদারি নিয়ে গোষ্ঠী সংঘর্ষ দেখা দিয়েছিল শাসকদলের সমর্থকদের অন্দরে। ঠিক একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছিল গতকাল। ঘড়ির কাঁটায় তখন সবে দশটা। সেখানকার ১২১ নম্বর ওয়ার্ডের দখল নেওয়া নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। ইট ছোড়াছুড়ি চলে বেশ কিছুক্ষন। এরপরেই চলতে শুরু করে গুলি।
আরও পড়ুনঃ শিক্ষাকর্মীদের মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা, নয়া নির্দেশ রাজ্য সরকারের
একনাগারে সাতবার চালানো হয় গুলি। তবে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসলে ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি পরিস্থিতি। পুলিশের সামনেই চলতে থাকে প্রবল ইটবৃষ্টি। সেখান থেকেই চালানো হয় গুলি। কিন্তু কেন চরমে উঠল গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব? স্থানীয় সূত্রে খবর, পয়লা বৈশাখের আগে প্রত্যেকবছর চড়কের মেলা সেখানকার একটি মন্দিরকে ঘিরে। মূলত সেই মেলা ও মন্দিরের দায়িত্ব কাদের হাতে বজায় থাকবে তা নিয়েই দেখা দেয় সংঘর্ষ।
ঘটনাস্থলে থাকা বাইক-স্কুটি ও চারচাকা ভাঙচুরের পাশাপাশি গুলি চালানোর ও অভিযোগ উঠেছে বাপন ব্যানার্জি এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এলাকাবাসীর দাবি, গত বেশকিছু বছর ধরেই এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে বাপন ব্যানার্জি ও তানা ভট্টাচার্যের মধ্যে দেখা দিয়েছে অশান্তি। এমনকি তাদের সঙ্গে এলাকার কাউন্সিলরে দ্বন্দ্ব রয়েছে বলে ও জানা গিয়েছে।
গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জের, বেহালায় চলল গুলি

এই প্রসঙ্গেই মুখ খোলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, রাজ্যের সর্বত্রই গণ্ডগোল তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে ও দেখা দিয়েছে মারামারি। সাধারণ মানুষের কাছে অসহনীয় হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি।



