নজরবন্দি ব্যুরোঃ ইউপিএসসি তে প্রশ্ন ‘বাংলার ভোট হিংসা’ নিয়ে, গত ৮ তারিখে পরীক্ষা হওয়ার পর প্রশ্নপত্র সামনে আসতে তা নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক। প্রশ্ন উঠছে সব মহল থেকে, কিভাবে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে থাকতে পারে এই বিষয়। ইউপিএসসি’র সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সড এর পরীক্ষায় জেনারেল স্টাডিজ বিভাগে ২০০ শব্দে লিখতে দেওয়া হয়েছিল ‘বাংলার ভোট হিংসা’ নিয়ে।
আরও পড়ুনঃ ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ২৯ হাজারের কম, ৫ মাসের সর্বনিম্ন সংক্রমণে স্বস্তি দেশে
তালিকায় রয়েছে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দিল্লির কৃষক প্রতিবাদ’ সম্পর্কে প্রশ্নও। আর তার পর থেকেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। একদিকে ভোটের পর থেকেই রাজ্যের বিরোধী দল বারবার অভিযোগ তুলেছে বাংলার ভোট পরবর্তী হিংসার। কেন্দ্রীয় কমিটি রাজ্য ঘুরে রিপোর্ট দিয়েছে লম্বা। অন্যদিকে রাজ্যের শাসক দল ভোট পরবর্তী হিংসা মানতে নারাজ। এই পরিস্থিতিতে কেনো এই বিষয়ে প্রশ্ন আসবে পরীক্ষায় তাই নিয়েই প্রশ্ন করেছেন রাজ্যের তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীরা।
তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেছেন, “যদি সত্যি এমন প্রশ্ন হয়, বাতিল করা হোক। ইউপিএসসি কর্তাদের অবিলম্বে খারিজ করা হোক। এই নিয়োগ বিজেপির শাখা সংগঠন করছে। প্রশাসন দখল করতে দলদাস তৈরি করছে বিজেপি। এমন চললে কিছুতেই সংবিধান রক্ষিত হবে না।”
ইউপিএসসি তে প্রশ্ন বাংলার ভোট হিংসা নিয়ে, কোন অনৈতিকতা দেখছেন না দিলীপ ঘোষ।

তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় এই ঘটনায় হতবাক। তাঁর মতে, “গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনীতিকরণ হয়ে গিয়েছে। অথচ এই বিষয়টি স্বচ্ছ পক্ষপাতমুক্ত হওয়া উচিত ছিল। দেশের সাধারণ মানুষ এবং বিরোধীদের ছোট করা হচ্ছে এই ভাবে। যারা এই চাকরিতে যোগ দেবেন তারা মনে ভেদভাব নিয়েই যোগ কাজে যোগ দিতে আসুন এমনটাই চান নিয়োগকারীরা।” বাংলা নিয়ে এই প্রশ্ন করায় ক্ষুব্ধ বামেরাও।

তবে দিলীপ ঘোষের গলায় উল্টো সুর। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলছেন, “পশ্চিমবঙ্গে পরীক্ষার্থীদের যদি সিঙ্গুর আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করা যায় তবে কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির পরীক্ষায় কৃষি আন্দোলন থাকবে না কেন! যাঁরা পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পেতে চাইছেন তাঁরা দেশের অবস্থাটা কতটা জানেন বোঝেন তা বুঝতেই এই প্রশ্ন করা হয়েছে। আমি বলব বেশ হয়েছে, এমন প্রশ্নই হওয়া উচিত।”



