নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১৫% ভারতবাসীর শরীরে তৈরি হয়ে গিয়েছে করোনার সাথে লড়াই করার অ্যান্টিবডি। কিন্তু কিভাবে তা সম্ভব হল তা জানা নেই। থাইরোকেয়ার দেশের বিভিন্ন জায়গায় সমীক্ষা করে। থাইরোকেয়ারের সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী দেশের ১৫% অর্থাৎ ১৮ কোটি মানুষের শরীরে অজান্তেই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ সংক্রমণ কে টেক্কা দিচ্ছে সুস্থতার হার, সব রেকর্ড ভেঙে আজ আক্রান্ত ২৪৩৬ জন।


এই বেসরকারি গবেষণাগারটি ৬০০টি ভিন্ন এলাকায় ২০ দিন ধরে এই সমীক্ষা চালিয়ে গেছে। ৬০০ টি ভিন্ন পিনকোডের এলাকায় সমীক্ষা করে তাদের কাছে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। বৃহস্পতিবার টুইটারে তারা তাদের সমীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন। সমীক্ষার রিপোর্টে দেখা গিয়েছে শহর কলকাতার ২১.৭ শতাংশ মানুষের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে গিয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ১৫.৬ শতাংশ মানুষের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।
বেসরকারি সংস্থা থাইরোকেয়ার–এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও ডা. এ বেলুমণি এই তথ্য সকলের সামনে তুলে ধরেন। সংস্থার পক্ষ থেকে ১৭ জুলাই টুইট করে জানানো হয়, ১৮ কোটি ভারতবাসী নিজেদের অজান্তেই করোনাভাইরাসের প্রতিরোধ করে ফেলেছেন। ‘অ্যালাইজা’ এবং ‘কেমিলুমিনিসেন্স ইমিউমোসে’ পদ্ধতির দ্বারা মানুষের মধ্যে এই পরীক্ষা করেছে থাইরোকেয়ার। সূত্রের খবর, মুম্বাই শহরের থানে এলাকার একটি অংশের মানুষের শরীরে ভাইরাস প্রতিরোধক অ্যান্টিবডি সবচেয়ে বেশি তৈরি হয়েছে।
বেঙ্গালুরু, দিল্লি, হায়দ্রাবাদ সমস্ত জায়গায় এই সংস্থা সমীক্ষা চালায়। দিল্লির আনন্দ বিহার ও হায়দ্রাবাদের জুবিলি এলাকায় ৩৭ শতাংশ মানুষের শরীরে মিলেছে অ্যান্টিবডি। এই সমস্ত এলাকা গুলির যাঁরা পরীক্ষা করাতে চেয়েছেন, তাঁদেরই পরীক্ষা করা হয়েছে। অ্যান্টিবডি তৈরি হওয়ার কারণ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকা। মনে করা হচ্ছে অনেক মানুষই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন, কিন্তু তাদের মধ্যে কোনো উপসর্গ না থাকার ফলে বোঝা যায়নি যে তারা সংক্রমিত।


রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ভালো হওয়ার ফলেই ভাইরাসকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এবং তাদের শরীরে ভাইরাস প্রতিরোধক অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। গতকাল দিল্লিবাসীর ওপর একটি সেরো সার্ভের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতে তা থেকে জানা যায়, ২৩.৪৭% দিল্লিবাসীর শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে গিয়েছে।








