আরজি করে তরুণী চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণ কাণ্ডের প্রতিবাদে দিকে দিকে পথে নামছে মানুষ। প্রায় ২ মাস হতে চলল ঘটনার। তাঁর পরেও থামছে না প্রতিবাদের ঝড়। আর এই প্রতিবাদের মিছিলের একটি স্লোগানকে ঘিরেই এবার তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। যাদবপুর থেকে বিচারের দাবি চেয়ে একটি মিছিল বেরিয়েছিল যে মিছিলের প্রতিনিধিত্ব করছিলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। আর সেই মিছিলে একটি স্লোগান উঠে ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি স্লোগান’। প্রশ্ন উঠছে, তিলোত্তমার বিচার চেয়ে মিছিলে কেন এই ধরনের স্লোগান? তাহলে মিছিলের আড়ালে রয়েছে কোন রাজনৈতিক দলের মদত? নাকি কোন সমাজ বিরোধী কোন দলের হাইজ্যাক করার চেষ্টা মিছিল এই মিছিলকে উঠছে প্রশ্ন।
আরজিকর কাণ্ডের প্রতিবাদে বিচারের দাবিতে পথে নেমেছে সাধারণ মানুষ। কিন্তু শাসক দলের পক্ষ থেকে বারবার সেই সমস্ত সাধারণ মানুষ ও জুনিয়র চিকিৎসকদের মিছিল কে রাজনৈতিক দলের মদত হিসেবেই দেখা হয়েছে। এই আবহে এবার এই মিছিল থেকে ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদী’ স্লোগান। আর তারপরেই শুরু হয়েছে বিতর্কের ঝড়, তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ এ বিষয়ে বলেন, “মুখোশের আড়ালে অরাজকতা বন্ধ হোক”


যদিও রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপির পাল্টা দাবি মূল ঘটনা থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “প্রথম থেকেই বলেছি এই আন্দোলনটাকে হাইজ্যাক করার চেষ্টা চলছে। যার পেছনে মদত দিচ্ছে অতি বামেরা। তবে সেটা করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই। তার কারণ এই স্লোগান গুলি থেকে সাধারণ মানুষ ক্রমশ মিছিল থেকে পিছিয়ে আসবেন। কারণ সাধারণ মানুষ বিচার চাই কাশ্মীরের আজাদি চান না।”
আর এ বিষয়ে সিপিআইএম নেতা সৃজন ভট্টাচার্য জানান, “এই স্লোগান যারা দিতেন। তারা মূলত বেকারত্বের আজাদি, মূল্যবৃদ্ধির থেকে আজাদি ও ধর্ষণের থেকে আজাদি চাইতেন। সেখানে কিছু লোক ঢুকে পড়ে কাশ্মীরের থেকে আজাদি চাইছেন। সেই মুখ গুলোকে চিহ্নিত করুন। আমরা কেউ ভারতকে ভাগ করার কথা বলছি না।








