শনিবার তাজপুরের সৈকতে সরকারি জমি জবর দখল উচ্ছেদে গিয়ে মন্ত্রীর রোষের মুখে পড়তে হয় এক মহিলা রেঞ্জারকে। ওই মহিলা রেঞ্জারের উপর একেবারে চড়াও হয় রাজ্যের কারামন্ত্রী (Minister of prisons) অখিল গিরি। কুরুচিকর মন্ত্যব্য সহ দিতে থাকেন হুমকি। তারপরেই একেবারে শোরগোল পরে যায় রাজ্য-রাজনীতিতে। অখিল গিরির গ্রেফতারির দাবি তোলে বিরোধীরা। যদিও এই ঘটনা মটেই সমর্থন যোগ্য নয় বলে গতকালই বলেছিলেন তৃণমূলের অন্যতম নেতা কুণাল ঘোষ। এবার দলের পক্ষ থেকেও কারামন্ত্রীকে দেওয়া হল কড়া বার্তা।
তৃণমূলের পক্ষ থেকে অখিলকে কড়া বার্তা দিয়ে বলা হয়েছে। গতকালের ওই ঘটনায় দলের তরফে স্পষ্ট বলা হয়েছে অবিলম্বে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে না হলে দল থেকে ইস্তফা দিতে হবে। কারামন্ত্রী (Minister of prisons) কে নির্দেশ তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর। তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে এই ধরনের মন্তব্য করা উচিত হয়নি অখিল গিরির। যদিও তার পরেও তিনি নিজের বক্তব্যে বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত ছিলেন না। উল্টে ওই মহিলা রেঞ্জারের উপরেই দায়ী চাপান তিনি। তার বক্তব্য এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়াতেই তিনি ওই মন্তব্য করেছিলেন। এরপরেই তার উদ্দ্যেশ্যে কড়া বার্তা তৃণমূলের। যা তৃণমূল কংগ্রেসের ১৩ বছরের ইতিহাসে বিরল।
গতকালের ঘটনার সাপেক্ষে অখিল বলেন, “গতকাল তাজপুরের যে ঘটনা ঘটেছে তার জন্য সম্পূর্ণ দায়ী এখানকার ওই মহিলা রেঞ্জার। তার জন্যই ওই উত্ত্যেজনার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। আমি যদি এই পরিস্থিতি হাতে না নিতাম তাহলে গ্রামের মানুষরা অনারুপর ঝাঁপিয়ে পড়ত। একেবারে অন্য পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যেত। ওই মহিলা রেঞ্জার কে কেউ পঞ্ছন্দ করেনি। তাই উনিই পরিস্থিতিটা তৈরি করেছেন।” তবে ঘটনায় কিছুটা অনুতাপ প্রকাশ করে তিনি বলেন,”আমি দায়িত্বশীল একজন মন্ত্রীসভার সদস্য হিসেবে ওই মহিলাকে আমার হয়তো ওই কথা গুলো বলা ঠিক হয়নি। পরবর্তী কালে বুঝতে পেরে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।”



