আরজি কর-কাণ্ড নিয়ে তোলপাড়ের আবহে আজ থেকে বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন শুরু। ধর্ষণ নিয়ে কঠোর আইন আনতে চায় রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার এনিয়ে বিল আনা হবে বিধানসভায়। আগামীকালই আলোচনা ও বিল পাসের সম্ভাবনা। বিধানসভায় বিল পাসের পর রাজ্যপালের কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। অন্যদিকে বিজেপি এই দুদিনের বিশেষ অধিবেশনে সব বিধায়ককে বাধ্যতামূলকভাবে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে।
আর জি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদের ঢেউ সর্বত্র। গত বুধবার মেয়ো রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন,’ধর্ষকদের জন্য ন্যায় সংহিতায় ১০ বছর, ১২ বছরের ধাপ রয়েছে। এর কী প্রয়োজন ছিল। রাজ্যের হাতে ক্ষমতা নেই। রাজ্যের হাতে ক্ষমতা থাকলে সাত দিনে করে দেব আমি। যারা ধর্ষণ করবে, তাদের একমাত্র সাজা ফাঁসি, ফাঁসি, ফাঁসি। ধর্ষণের একমাত্র শাস্তি ফাঁসি, আর কিছু নয়। এই একটা কাজ করলে মনে রাখবেন, সব ঠান্ডা হয়ে যাবে।’ শুধু তাই নয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীকে এ বিষয়ে চিঠি দিয়েছেন।


এদিকে দেশে নারী নির্যাতনের ঘটনায় সরব হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী, সুপ্রিম কোর্টের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে শনিবার দিল্লিতে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানেই উপস্থিত ছিলেন নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি আরও বলেন, “২০১৯ সালে ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট আইন পাশ হয়। জেলা নজরদারি কমিটি গঠিত হয়েছে। এই কমিটিগুলো আগামী দিনে যাতে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করে, তা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।”
নরেন্দ্র মোদি বলেন, “বর্তমানে মহিলাদের উপর অত্যাচার, শিশুদের নিরাপত্তা সমাজের কাছে উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। নারী সুরক্ষার জন্য দেশে অনেক কড়া আইন আনা হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও অপরাধ কমছে না। আগামী দিনে মহিলাদের উপর অত্যাচারের ক্ষেত্রে আরও কড়া আইন আনতে হবে। যাতে নির্যাতিতারা দ্রুত বিচার পান। এর ফলে নারীদের নিরাপত্তা বাড়বে। সঙ্গে তাঁরা নিশ্চয়তাও পাবেন।”









