বাংলাদেশের হুমকির পাল্টা জবাব ত্বহা সিদ্দিকির, “কব্জি কেটে দেবার ক্ষমতা আমাদের আছে”

বাংলাদেশ-পাকিস্তান হুমকি ও কলকাতা দখলের দাবিতে ত্বহা সিদ্দিকির শক্তিশালী বার্তা

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

সম্প্রতি বাংলাদেশের কিছু মৌলবাদী নেতার মন্তব্য ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে। বাংলাদেশের একটি ভিডিয়োতে প্রাক্তন সেনা কর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা ভারতের একাংশ দখলের হুঁশিয়ারি দেন। এ বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকি। তাঁর কথায়, “যদি কেউ ভারতের দিকে আঙুল তোলে, সেই আঙুল ভেঙে দেব। আর কেউ ভারতের মাটির দিকে নজর দিলে, তার কব্জি কেটে দেব।”

বাংলাদেশের একাধিক নেতার হুমকি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চা চলছে: এক প্রাক্তন সেনা কর্তা চার দিনের মধ্যে কলকাতা, আগরতলা এবং সেভেন সিস্টার্স দখলের দাবি করেছেন। বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভি বলেছেন, ভারতের একাংশ দখল সম্ভব। আরেক ব্যক্তি দাবি করেন, ৫,০০০ সৈন্য এবং ৩০ লাখ ছাত্র-জনতা দিয়ে বাংলাদেশ ভারত বা আমেরিকাকে পর্যন্ত হারাতে পারে এই প্রেক্ষিতে উত্তপ্ত হয়েছে দুই দেশের রাজনৈতিক মহল।

Shamim Ahamed Ads

ত্বহা সিদ্দিকি বলেন, “পাকিস্তান ও বাংলাদেশ মিলে আমাদের দেশকে চমকানোর দিন শেষ। ভারত তার মাটি ও জনগণের সুরক্ষা দিতে সক্ষম। আমরা চাই, বাংলাদেশের মানুষ শান্তিতে থাকুক এবং ভারতের সংখ্যাগুরু ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ও যেন শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখে।”
তিনি আরও জানান, বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং হুমকি দেওয়া বন্ধ করা উচিত। ভারতকে দুর্বল ভাবা বড় ভুল।

এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভায় পাল্টা জবাব দেন। তিনি বলেন, “কেউ কেউ বলছেন, বাংলা দখল করবেন। আমি বলি, সুস্থ থাকুন, ভাল থাকুন। কিন্তু এতটাও হিম্মত দেখানোর চেষ্টা করবেন না। বাংলা, বিহার, ওড়িশা—এসব দখল করতে কেউ বসে থাকবে না।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিয়োগুলির কারণে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের উত্তেজনা আরও বাড়ছে। বাংলাদেশে ‘ভারত বিরোধী’ মিছিল এবং সামরিক প্রশিক্ষণের দাবি করে প্রচার চালানো হচ্ছে। তবে ভারতীয় প্রশাসন এই ধরনের হুমকিকে গুরুত্ব না দিয়ে সীমান্ত সুরক্ষায় মনোযোগ দিয়েছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত