২২ মার্চ, ২০২৩-এ কেকেআর নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে খেলবে বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে, যা হবে ঘরের মাঠে। কেকেআরের সমর্থকদের প্রত্যাশা, তারা এবারও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে এক নতুন যাত্রা শুরু করবে।
গাভাসকর জানান, দুবাইয়ের পিচে স্পিনাররা সফল হতে পারে এবং অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানরা স্পিনের বিরুদ্ধে বিশেষ সুবিধাজনক নন, যা শ্রীলঙ্কা সিরিজে প্রমাণিত হয়েছে।
শেষ পর্যন্ত, ২৩ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে প্লে অফের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় ইস্টবেঙ্গলের। অন্যদিকে, বেঙ্গালুরু এই ড্র-এ ৩২ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে পৌঁছেছে। ফলে পরবর্তী ম্যাচে নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে হারালেও ইস্টবেঙ্গল সেরা ছয়ে জায়গা করে নিতে পারবে না। সেলিসরা এবার পরবর্তী মরশুমের দিকে তাকিয়ে থাকবে।
এই ম্যাচের অন্যতম সেরা দিক ছিল নিউ জিল্যান্ডের ফিল্ডিং, যা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেয়ার পথ তৈরি করেছে। ভারতীয় দলকে আটকে রাখতে নিউ জিল্যান্ডের ফিল্ডিং ছিল অনবদ্য, তবে শেষ পর্যন্ত ভারত একটি শক্তিশালী জয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল।
তবে তারা গ্রুপে শীর্ষস্থান অধিকার করবে এবং সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ হবে অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু যদি ভারত হারে, তাহলে তারা দ্বিতীয় স্থানে থাকবে এবং সেমিফাইনালে তাদের মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা।
এই ম্যাচটি শুধু একটি গ্রুপ ম্যাচই নয়, সেমিফাইনালের প্রস্তুতি হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ। দু’টি দলের জন্যই এটি বড় চ্যালেঞ্জ, এবং তারা তাদের সেরা প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামবে। সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার পর, এখন শুধু একজনের জয়ী হয়ে সেমিফাইনালের আগেই একটা আত্মবিশ্বাসী প্রস্তুতি নিতে হবে।
বিরাট কোহলি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত শতরান করেছেন। এবার তার সামনে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের ক্রিকেটে ৩০০তম ম্যাচ খেলার মাইলফলক। শুধু তাই নয়, এই ম্যাচে তার সামনে থাকছে ৭টি বড় রেকর্ড ভাঙার সুযোগ।
অস্ট্রেলিয়া এবার সেমিফাইনালে খেলার জন্য প্রস্তুত, যেখানে তারা তাদের শক্তিশালী খেলোয়াড়দের সাথে জিততে মুখিয়ে আছে। যদিও অনেকেই তাদের স্কোয়াডের দুর্বলতা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন, তবুও অস্ট্রেলিয়া তাদের অভিজ্ঞতা এবং শক্তি দিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছেছে।
রাহুল এই বিষয়ে বলেন, “দুবাইয়ের পিচটি আমাদের পরিচিত, তাই এখানে খেলতে সুবিধা হচ্ছে। উইকেট ধীরগতির হওয়ায়, ব্যাটসম্যানদের জন্য কঠিন রান সংগ্রহ করতে।” তিনি জানান, ইংল্যান্ড সিরিজের পর দুবাইয়ের পিচে খেলা একটু আলাদা, তবে মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে এই পরিবেশে খেলা সহজতর হয়ে উঠছে। তিনি আরও বলেন, “এখানে যত বেশি সময় ব্যাট করতে পারবেন, তত বেশি রান যোগ করতে পারবেন।”
ভারতের দুই ব্যাটসম্যান, শ্রেয়স আয়ার এবং অক্ষর পটেল স্পিনারদের বিরুদ্ধে আরও আগ্রাসী হতে পছন্দ করেছেন। তারা রবীন্দ্র জাডেজা এবং বরুণ চক্রবর্তীর মতো অভিজ্ঞ স্পিনারের বিপক্ষে খেলেছেন। ওয়াশিংটন সুন্দরও এই মহড়ায় স্পিনারদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক খেলার চেষ্টা করেছেন।