আহমেদাবাদের বিশাল মঞ্চে ওঠানামায় ভরা ইনিংস খেলেও শেষ পর্যন্ত ১৯৩-৬ তুলল ভারত। শিবমের ৩১ বলে ৬৬ রানের বিস্ফোরক ইনিংস দলের ভিত গড়ে দেয়, সূর্যকুমারের আগ্রাসী ৩৪ রানের ঝলক গতি বাড়ায়, আর শেষ ওভারে হার্দিকের ২১ বলে ৩০ ভারতের স্কোরকে চ্যালেঞ্জিং জায়গায় নিয়ে যায়। তবে ইনিংসের শেষ বলেই উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রানের লক্ষ্য রেখে মাঠ ছাড়ল ভারত।
টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারত। বিশ্বের বৃহত্তম স্টেডিয়ামের উইকেটে শুরুটা আগ্রাসী হলেও দ্রুত ধাক্কা খায় দল। অভিষেক শর্মা আবারও শূন্য রানে ফিরে গেলে চাপে পড়ে টপ অর্ডার। ঈশান কিষাণও দুর্ভাগ্যজনকভাবে আউট হন—বল থাই প্যাড ও কনুই ছুঁয়ে উইকেটে গিয়ে লাগে।


পাওয়ারপ্লে-র ভিতরে তিলক ও ঈশান রানের গতি ধরে রাখার চেষ্টা করলেও দুই উইকেট পড়ার পর মাঝের ওভারে খানিকটা ধীর হয়ে যায় ভারত। সূর্যকুমার যাদব ও তিলক প্রথমে ঝুঁকি না নিয়ে ইনিংস গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে সূর্যের একটি জীবনদান ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারত—ডিপ স্কোয়্যার লেগে সহজ ক্যাচ ফসকান লেভিট। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সূর্য কিছুটা গতি বাড়ালেও শেষ পর্যন্ত ২৮ বলে ৩৪ করে লং লেগে ক্যাচ দেন।
তিলকের বিদায়ের পর শিবম ক্রিজে এসে যেন আলাদা ছন্দ খুঁজে পান। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং—কভার, মিডউইকেট, লং-অন—মাঠের চারদিকে শট। এলবিডব্লিউ আবেদন থেকে ‘আম্পায়ার্স কল’-এ বেঁচে যাওয়ার পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন তিনি। মাত্র ৩১ বলে ৬৬ রান করে ম্যাচে ভারতের রানরেট নতুন মাত্রায় নিয়ে যান। তাঁর ইনিংসেই ১৫৯-৪ থেকে ১৮৬-৫—দ্রুত এগোয় ভারত।
শেষ ওভারে হার্দিক পাণ্ড্য দায়িত্ব নেন। বড় শটের চেষ্টায় ২১ বলে ৩০ রান করেন, তবে ইনিংসের শেষ বলেই ফান ডার মারউইয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। ভারতের ইনিংস থামে ১৯৩-৬-এ।


নেদারল্যান্ডসের সামনে লক্ষ্য ১৯৪। উইকেট যেমন ব্যাটিং-সহায়ক, তেমনই মাঝের ওভারে কিছুটা ধীর। ফলে ম্যাচ এখনও খোলা। শিবমের ঝোড়ো ইনিংস ভারতের আত্মবিশ্বাস বাড়ালেও বোলারদের সামনে এখন বড় পরীক্ষা।








