মোবাইলে বার্তা পাঠিয়ে দিনহাটায় তরুণীকে ধর্ষণের হুমকির অভিযোগ। অভিযোগ সঞ্জয় দাস নামে এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। আরজি কর কাণ্ডের বিচার চেয়ে রাত দখলের আন্দোলনে নামার কারণেই এই হুমিক দেওয়া হয় বলে খবর। পাশাপাশি দিনহাটা থানায় এই ঘটনার অভিযোগ জানাতে গিয়ে তৃণমূলের হাতেই আক্রান্ত দিনহাটার এসইউসিআই নেতা। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে ওই তৃণমূল নেতা।
তবে ওই তরুণীর অভিযোগ করে বলেন, “আমার ওই দিনের কর্মসূচি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ছিল। আমার লড়াইটা ছিল একজন মেয়ে হিসেবে একটা মেয়ের পাশে দাঁড়িয়ে শাস্তির দাবি চাওয়ার লড়াই। প্রকৃত দোষীকে, একটা ধর্ষককে খুঁজে বার করা।” এর পর হুমকি সম্পর্কে তিনি বলেন,” আমি ফোন অন করতেই আমার ফোনে একটা অজানা প্রোফাইল থেকে ম্যাসেজ আসে। যেখানে লেখা থাকে এর পরের ধর্ষণটা তুই হবি।”


এর পর তরুণী আরও যোগ করেন,”আমি প্রথমেই মাসেজ টা দেখে ঘাবড়ে গিয়ে ছিলাম। তখন আমার মনে হল আমার প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়া উচিৎ। কিন্তু থানার লোকজনেরা কোন কারণে আমার এফআইআর নিতে চাচ্ছিলনা। কিন্তু অনেক ভাবে তাদের বুঝিয়ে সুজিয়ে এফআইআর দায়ের করা হলেও অপেক্ষা করতে হয় ৩ ঘণ্টা। কিন্তু থানা থেকে জেরক্স করতে গিয়েই আক্রান্ত হতে হয় আমার কাকুকে। কে জানে কাকুর জায়গায় আমি থাকলে হয়তো আমাকেই আক্রান্ত হতে হতো।”
আরজিকর কাণ্ডের প্রতিবাদে দেশজুড়ে সরব হয়েছেন বিনোদন জগত থেকে শুরু করে বিশিষ্ট মহলের মানুষজন। কেউ পথে নেমে প্রতিবাদ দেখিয়েছে, কেউ আবার নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিচার চেয়ে প্রতিবাদ দেখিয়েছেন। ক্রমাগত কর্মবিরতি চলছে চিকিৎসক মহলেও। অন্যদিকে আরজি কর ঘটনা নিয়ে একের পর এক রহস্যজনক তথ্য উঠে আসছে সিবিআইয়ের হাতে।









