সাধারণ মানুষের করের বোঝা আরও হালকা হতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি জানিয়েছেন, আগামী দিনে কর আরও কমবে এবং মানুষের সাশ্রয় বাড়বে। দেশের অর্থনীতি ও বিনিয়োগ বাড়ানোর স্বার্থে কেন্দ্র সরকার কর কাঠামো সরলীকরণের দিকে এগোচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর মতে, “একটি শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তুলতে হলে মানুষের হাতে আরও অর্থ থাকা দরকার। তাই আমরা ধাপে ধাপে কর কমানোর পদক্ষেপ নিয়েছি এবং তা ভবিষ্যতেও চলবে।” এই মন্তব্য দেশজুড়ে ব্যবসায়ী মহল ও সাধারণ করদাতাদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে।
গত কয়েক বছরে কর সংস্কারে বড় পরিবর্তন হয়েছে। আয়কর স্ল্যাবের সংস্কার, পণ্য ও পরিষেবা কর (GST) হার হ্রাস, কর রিফান্ডের দ্রুত প্রক্রিয়া—এই পদক্ষেপগুলি দেশের মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষকে স্বস্তি দিয়েছে। সরকার এখন বলছে, অর্থনীতিকে আরও চাঙ্গা করতে কর আর কমানো হবে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, কর কমানো হলে চাহিদা বৃদ্ধি পাবে, বিনিয়োগে গতি আসবে এবং কর্মসংস্থানও বাড়বে। আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের প্রতিযোগিতামূলক ক্ষমতা বাড়ানোর জন্যও কর হ্রাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, এই নীতি শুধুমাত্র ভোটের প্রতিশ্রুতি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক রূপরেখার অংশ। শিল্প এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায় বিনিয়োগের পথ খুলতে কর হ্রাস গুরুত্বপূর্ণ। এতে মধ্যবিত্তের হাতে বাড়তি অর্থ থেকে ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, যা অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক।
আর্থিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কর হ্রাসের সঙ্গে যদি আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা যায়, তবে ভারতের প্রবৃদ্ধি হার আরও ত্বরান্বিত হবে। বিনিয়োগের পাশাপাশি রপ্তানি বৃদ্ধিও সম্ভব হবে। ফলে দেশের আর্থিক অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।
এই ঘোষণায় সাধারণ মানুষ যেমন খুশি, তেমনই ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরাও আশাবাদী। আগামী বাজেটে কীভাবে এই কর হ্রাসের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে তা দেখার অপেক্ষা এখন সকলের।







