গত ২ দিন ধরেই টানা বৃষ্টি চলছে উত্তর থেকে দক্ষিণ গোটা রাজ্যেই। এই ২ বৃষ্টি তে দক্ষিণবঙ্গের বৃষ্টির ঘাটতি অনেকটাই কমে গিয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে এই স্বস্তির মধ্যে উঠে আসছে অস্বস্তির খবর। টানা দু’দিনের বৃষ্টিতে জলের তলায় একাধিক জেলার চাষের জমি (Cultivated land)। এমনি তেই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির ঘাটতি তে দেরি করে রোপণ করা হয়েছে আমন ধান। কিন্তু টানা বৃষ্টিতে জলের তলায় চলে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, বাঁকুড়া, বীরভূম, হুগলী সহ বেশ কিছু জেলায় ফসল ডুবে গিয়েছে। ফলে মাথায় হাত চাষিদের।
পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় অনেক জায়গায় সেচের মাধ্যমেই চলছিল চাষের কাজ। এবার টানা গত দু’দিনের অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে হুগলীর তারকেশ্বর-সহ বেশ কিছু ব্লকের হাজার হাজার বিঘা সদ্য রোপন করা ধান জমি জলের তলায় চলে যাওয়ায় ধান উৎপাদন কম হওয়ার আশঙ্কা করছেন চাষীরা। এছাড়াও বাঁকুড়ার কেতুল পুর ব্লকেও বেশ কিছু জমির ফসল তলিয়ে গেছে জলের তলায়। ফলে জল দ্রুত না কমলে পচে যাওয়ার সম্ভাবনা সেই সব ফসলের। এছাড়াও নদী সংলগ্ন বিঘের পর বিঘে তিন ফসলি চাষের জমি (Cultivated land) নদীর প্রবল স্রোতে তলিয়ে গিয়েছে। বিঘের পর বিঘে ফলন্ত জমি হারিয়ে এখন স্থানীয়দের সম্বল শুধুই চোখের জল।
সাধারনত বর্ষা আসার আগেই বেশ কিছু নতুন ফসলের জন্য বীজবপন করা হয়। কিন্তু বন্যার জল চাষের জমিতে (Cultivated land) ঢুকে পড়ায় নষ্ট হয়ে যাবে সেই সব বীজ। এই পরিস্থিতে জল কমে গেলেও নতুন করে বীজ বপন করে আবার চাষ শুরু করতে সময় লাগবে অনেকটাই। ফলে নতুন করে চাষ করা একেবারেই অসম্ভব বলে মনে করছেন চাষীরা। ফলে স্বভাবিকভাবেই কমবে ফসলের উৎপাদন। যে কারণেই দাম বাড়তে পারে চাল থেকে শুরু করে সবজির।



