আরজি করের চিকিৎসক মৃত্যুতে প্রাথমিক রিপোর্টে ইতিমধ্যেই খুন-ধর্ষণের ইঙ্গিত মিলেছে। তদন্ত শুরু করেছে লালবাজার গোয়েন্দা শাখার আধিকারিকরা। ইতিমধ্যেই হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে এক নিরাপত্তারক্ষীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আর এই পরিস্থিতিতে শনিবার থেকেই আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের হাসপাতালের আকাডেমিক বিল্ডিং এর সামনেই এদিন বিক্ষোভ দেখায় জুনিওর চিকিৎসক ও নার্সিং পড়ুয়ারা। তাঁদের নিরাপত্তা ও অপরাধীর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি চেয়ে অনির্দিষ্ট কালের জন্য তাঁরা বিক্ষোভ দেখায়। এই পরিস্থিতে ভোগান্তির স্বীকার চিকিৎসা করাতে আশা রোগীর পরিবার।
হাসপাতালের সমস্ত জুনিওর চিকিৎসক ও ইনটার্নশিপ করা চিকিৎসকরা কর্ম বিরতির ডাক দিয়েছে চিকিৎসক মৃত্যুকে ঘিরে। আর তাই শনিবার থেকেই ভোগান্তির স্বীকার আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসা রোগীদের। একই ভোগান্তির ঘটনা ঘটে শহর ও রাজ্যের অনেক হাসপাতালেই। আর এই ঘতনাই অব্যহত থাকল রবিবারও। চিকিৎসা করাতে আসা রোগীর আত্মীয় বলেন,” কয়েক দিন ধরেই এখানে আছি কোন ডাক্তার এখনও দেখছেন না। রগই ভর্তি রয়েছে হাসপাতালে। চিন্তায় আছি আপাতত। এখনও পর্যন্ত সেই একই অবস্থাই চলছে।”


অন্যদিকে গতকালই বিক্ষোভ মিছিলকে ঘিরে কার্যত ধুন্ধুমার পরিস্থিতি শুরু হয় আরজি করের সামনে। তারপরই রবিবার সকাল থেকেই বাড়ানো হয় নিরাপত্তা। মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ বাহিনিও। বসানে হয়েছে গার্ড রেল। এছাড়াও গতকালই নিরাপত্তার ছাত্রদের নিরাপত্তার দাবি মেনে নিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর।







