নজরবন্দি ব্যুরো: চোপড়াতে মৃত্যুর ঘটনা, রাজ্যকে ভৎসনা হাইকোর্টের বিচারপতির। রাজ্যে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়নকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে ৩ জনের মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছে। বৃহস্পতিবার বাম-কংগ্রেস আইনজীবি মহল আদালতের দৃষ্টি আর্কষণ করে। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চে বিরোধীরা বিষয়টিকে সামনে আনে। তাতে আদালতের পর্যবেক্ষন হল, ‘আপনারা ৯ জুন বৈঠক করেছেন। আজকে ১৫ জুন। কী হচ্ছে এ সব?’
আরও পড়ুন:মনোনয়নের নিয়ে কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের! কি বললেন বিচারপতি
বাম এবং কংগ্রেস আইনজীবীদের আর্জি আদালত এই নিয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করুক। আদালতে আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত বলেন, ‘সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হোক। পরিস্থিতি খুবই চিন্তাজনক।’ আইনজীবী শামিম আহমেদ বলেন, ‘প্রতি মুহূর্তে আমরা আতঙ্কিত হয়ে উঠব এমন সব ঘটনা ঘটছে। চোপড়ার ভিডিয়ো আপনাকে দেখাতে পারি।‘
প্রসঙ্গত, উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় বিডিও অফিসে মিছিল করে মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার পথে গুলি চলে। তাতে গুলিবিদ্ধ হন তিন জন। জানা যাচ্ছে, তাঁদের মধ্যে এক জনের মৃত্যুও হয়েছে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনে অশান্তির প্রশ্নে হাইকোর্টকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী বলেন, ‘আমরা নিরাপত্তার বিষয়টি দেখছি। মুখ্যসচিব, পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল, ডিজির সঙ্গে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের বৈঠক হয়েছে।’

এদিন হাইকোর্টের বিচারপতির পর্যবেক্ষনে উঠে এসেছে, ‘স্পর্শকাতর বুথ নিয়ে যদি কমিশন সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে, তবে আদালত গোটা রাজ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়ে দেবে।’ পাশাপাশি মনোনয়ন ঘিরে অশান্তি নিয়ে আদালত জানিয়ছে যে, ‘পঞ্চায়েত মামলা নিয়ে রায় কার্যকর করার ব্যবস্থা না হলে আদালত নিশ্চুপ দর্শকের মতো বসে থাকবে না।‘
চোপড়াতে মৃত্যুর ঘটনা, রাজ্যকে ভৎসনা হাইকোর্টের বিচারপতির

এরই মধ্যে রাজ্যজুড়ে অশান্তির খবর সামনে আসছে। ভাঙড়ে এক আইএসএফ কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। কুলতলীতে সিপিএম তৃণমূল সংঘর্ষের জের দুই কর্মীর মাথা ফাটে। কাকদ্বীপে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে আক্রান্ত হন সিপিএম প্রার্থী। এরই মধ্যে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী মনোনয়নের দিন বারানোর জন্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখেছে।



