গণআন্দোলনে উত্তাল বাংলাদেশ। আর তার জেরেই এবার পদত্যাগ করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইতিমধ্যেই দেশ ছেড়েছেন পালিয়েছেন তিনি। ত্রিপুরার আগরতলায় হেলিকপটারে অবতরণ করেছেন হাসিনা। সেখান থেকে দিল্লীর উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন তিনি। তিনি লন্ডনে যেতে পারেন বলে খবর। তবে তার দেশ ত্যাগের পর বাংলাদেশের গণভবন থেকে শুরু করে শেখ হাসিনার বাসভন কব্জায় নিয়েছে বিক্ষোভ কারীরা। তাই অশান্ত বাংলাদেশের ঢেউ ভারতবর্ষেও পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই দেশের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে পরিস্থির উপর করা নজর রাখার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপানারা শান্ত থাকুন। কোনও সাম্প্রদায়িকতামূলক আচরণ করবেন না। আইন হাতে তুলে নেবেন না। ভারত সরকার যে ভাবে বলবে আমরা সেই অনুযায়ী কাজ করব।” এর পাশাপাশি সব রাজনৈতিক দল বিশেষ করে বিজেপি-র উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন, “সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের অনুরোধ করছি, দয়া করে করে এমন কোনও কিছু পোস্ট করবেন না যাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এখানে নষ্ট হয়। এবার আকই ভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিদেশমন্ত্রীকে পরিস্থিতির উপর করা নজর রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর। একই সাথে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা করে সীমান্তে নজর রাখার নির্দেশ জাওয়ানদের।
বর্ডার আউটপোস্ট গুলির ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা এবং আধুনিক নাইট ভিশন ক্যামেরা গুলি সক্রিয় রাখা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দিনের আলোয় নয়, রাতের অন্ধকারে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা করছেন বিএসএফের ডিজি।। সে কারণে আগামী কয়েকদিন বাড়তি সতর্ক থাকার নির্দেশ দিলেন তিনি। বিশেষ করে বাংলার সঙ্গে একাধিক জায়গায় সীমান্ত যোগাযোগ রয়েছে বাংলাদেশের সেই সমস্ত জায়গায় বাড়ি সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।



