বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পর নেমার (Neymar), ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে (Cristiano Ronaldo) কাঁদতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু লিয়োনেল মেসি (Lionel Messi) কেঁদে ফেললেন মিশরকে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে। কিছুতেই সামলাতে পারেননি নিজের আবেগ। ম্যাচ শেষে জানালেন, পেনাল্টি নষ্ট করায় নিজের উপরেই প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত ছিলেন তিনি।
বিশ্বকাপের নকআউটে আর্জেন্টিনা অতীতে কখনও দু’গোলে পিছিয়ে পড়ে জেতেনি। এমনকি গোল শোধও করতে পারেনি। তবে মিশরের বিরুদ্ধে ০-২ পিছিয়ে থেকে ৩-২ জিতেছে তারা। তা হয়েছে মেসির সৌজন্যেই। ম্যাচের পর মেসি বলেন, “ম্যাচের পর প্রচণ্ড তৃপ্তি পেয়েছিলাম। পেনাল্টি নষ্ট করার পর নিজের উপরে প্রচণ্ড রেগে গিয়েছিলাম। যে ভাবে শট নিয়েছি তা একেবারেই ঠিক ছিল না।”
মেসি আরও বলেন, “মনে হচ্ছিল, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলকে ডুবিয়েছি। তবে দিনের শেষে ঈশ্বর আমার জন্য ভাল কিছুই লিখে গিয়েছিলেন। সমতা ফেরানোর গোলটা আমি করেছি। তাতে এতটা শান্তি পেয়েছি এবং খুশি হয়েছি যে প্রকাশ করার ভাষা নেই।”
কাবো ভার্দের বিরুদ্ধেও আর্জেন্টিনা চাপে পড়েছিল। সেখানেও অতিরিক্ত সময়ের গোলে জিততে হয়েছে তাদের। মিশরের বিরুদ্ধে জয়সূচক গোল এসেছে সংযুক্তি সময়ে। দু’টি দলই আর্জেন্টিনার দুর্বলতা প্রকট করে দিয়েছে।
মেসি বলেছেন, “যদি পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারতাম তা হলে খেলাটা অন্য দিকে মোড় নিত। কারণ, তার আগে আমরা ভাল খেলছিলাম। এমনকি ওরা গোল করার পরেও। দুর্দান্ত কিছু সুযোগ তৈরি করেছিলাম। যেমন আলেক্সিস ম্যাকঅ্যালিস্টার (Alexis Mac Allister) বা জুলিয়ান আলভারেজের (Julian Alvarez) ক্ষেত্রে। গোলকিপার গোললাইন থেকে সেভ করেছে। এই দলটা জেতার যোগ্য ছিল।”
মিশরের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার এই জয় ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে। ০-২ পিছিয়ে থেকে ফিরে আসা আর পেনাল্টি মিসের আফসোস—দুটো আবেগেই ভাসছেন মেসি। তবে শেষ হাসি তাঁরই। আগামী রাউন্ডে আরও বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে আর্জেন্টিনার জন্য।






