রবিবার সকালে শীতের কাঁপুনি স্পষ্ট। কলকাতা-তে এ দিন মরশুমের শীতলতম সকাল নথিভুক্ত হয়েছে। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ০.৭ ডিগ্রি কম। এর আগে ৬ ডিসেম্বর সর্বনিম্ন ছিল ১৪.৫ ডিগ্রি।
এক দিনের ব্যবধানে প্রায় দু’ডিগ্রি পারদ পতনের জেরেই ভোরে কুয়াশা ও ধোঁয়াশার দাপট চোখে পড়েছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ পরিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে—শীতের এই ওঠানামাই এর কারণ।


কেন হঠাৎ ঠান্ডা বাড়ল?
আবহাওয়া দফতরের ব্যাখ্যায়, টানা চার দিন (১৭–২০ ডিসেম্বর) শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে ছিল। সেই ধারা ভেঙে রবিবার ফের স্বাভাবিকের নীচে নামল পারদ। শুষ্ক আবহাওয়ার সঙ্গে উত্তর-পশ্চিম দিকের শীতল হাওয়ার প্রভাবেই এমন পরিবর্তন।
জেলাজুড়ে কুয়াশার চিত্র
রবিবার ভোরে রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে। বিশেষ করে পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি হয়েছে।
সোমবার মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারেও ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্য জেলাগুলিতে কুয়াশা তুলনামূলক কম হলেও দৃশ্যমানতা কমতে পারে।
বৃষ্টি নেই, শুষ্ক আবহাওয়া
রাজ্যজুড়ে আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে। সকালে কুয়াশা কাটার পর দিনের আকাশ পরিষ্কার হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।


কলকাতার দিনের তাপমাত্রা
শনিবার বিকেলে শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০.৭ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের থেকে ৫.৪ ডিগ্রি কম। আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৭৪–৯২ শতাংশ থাকায় ভোরে কুয়াশা ঘন হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় শহরের তাপমাত্রা ১৫ থেকে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করতে পারে।
আগাম পূর্বাভাস
আবহাওয়াবিদদের মতে, ২৫ ডিসেম্বরের পর তাপমাত্রা আরও কিছুটা নামতে পারে। ফলে সকাল ও সন্ধ্যায় শীতের আমেজ বাড়বে—বিশেষ করে কুয়াশা-প্রবণ এলাকায় চলাচলে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।








