পুজোর ঢাক গিয়েছে। চলছে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা। সেই সঙ্গে রাত জেগে ঠাকুর দেখার পরিকল্পনাও ছকে ফেলেছেন অনেকেই। কিন্তু ঠাকুর দেখে বাড়ি ফিরবেন কী ভাবে, সেই চিন্তা রয়েছে অনেকের মনেই। সপ্তমী থেকে নবমীর, ভোর পর্যন্ত মিলবে মেট্রো। ষষ্ঠী এবং দশমীতে মেট্রো পাওয়া যাবে মাঝরাত পর্যন্ত। মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, চতুর্থী থেকেই মেট্রোর সূচি পরিবর্তন হচ্ছে।
ত্রয়োদশী পর্যন্ত পরিবর্তিত সূচিতে চলবে মেট্রো। পুজোর সময় গভীর রাত পর্যন্ত পরিষেবা পাওয়া যাবে। তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় কিছুটা কম চলবে ট্রেন। চতুর্থী, পঞ্চমী এবং ষষ্ঠীতে আপ এবং ডাউন মিলিয়ে মেট্রো চলবে ২৮৮টি। সপ্তমী থেকে নবমী ওই শাখায় চলবে ২৪৮টি ট্রেন। দশমীতে ১৭৪, একাদশীতে ১৩০টি পরিষেবা পাওয়া যাবে। দ্বাদশী এবং ত্রয়োদশীতে আপ এবং ডাউন লাইন মিলিয়ে ট্রেন চলবে ২৩৬টি।


হাওড়া লাইনে অধিক রাতেও লোকাল ট্রেনে করে এসে গঙ্গার তলা দিয়ে ছোটা মেট্রোয় চড়ে শহরে এসে ঠাকুর দেখতে পারবেন জেলার মানুষ। এবারও চতুর্থী থেকেই শুরু হয়ে যাচ্ছে মেট্রোর বিশেষ পরিষেবা। জানা গিয়েছে, চতুর্থী, পঞ্চমী ও ষষ্ঠীর দিন কবি সুভাষ-দক্ষিণেশ্বর রুটে সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে চলবে প্রথম মেট্রো। শেষ মেট্রো চলবে রাত ১০টা ৪০ মিনিটে। ওইদিন সেক্টর ফাইভ থেকে শিয়ালদহ রুটের প্রথম মেট্রো সকাল ৬:৫৫ মিনিটে। শেষ মেট্রো ৯:৪০ মিনিটে।
আর এসপ্ল্যানেড থেকে হাওড়া ময়দান রুটে সকাল ৭টা থেকে রাত পৌনে দশটা পর্যন্ত ১২ থেকে ১৫ মিনিটের ব্যবধানে চলবে মেট্রো। জোকা থেকে মাঝেরহাট রুটে সকাল সাড়ে আটটা থেকে দুপুর ৩টে ৩৫ মিনিট পর্যন্ত ৫০ মিনিট অন্তর মেট্রো চলবে। কবি সুভাষ থেকে রুবি মোড় বা হেমন্ত মুখোপাধ্যায় রুটে সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ২০ মিনিট অন্তর চলবে মেট্রো।







