উৎসবের মরসুমেই কেরেনিল ৫ চিকিত্সকের প্রাণ!

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ উৎসবের মরসুমেই কেরেনিল ৫ চিকিত্সকের প্রাণ! এক দিকে রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বেড়েই চলেছে, আর অন্য দিকে করোনা ‘ছোবলে’ একের পর এক প্রাণ যাচ্ছে চিকিত্‍সক থেকে শুরু করে নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের। এই রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ৬৪ জন চিকিত্‍সকের মৃত্যু হয়েছে। শুধু অক্টোবরে মারা গিয়েছেন ১৫ জন। দুর্গাপুজোর সময় মৃত্যু হয়েছে ৫ জন চিকিত্‍সকের। কঠোর হাতে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা না গেলে, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছে চিকিত্‍সক মহলের একাংশ।

আরও পড়ুনঃ ভারতে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার বড় ঘোষণা কেন্দ্রের।

জানা গিয়েছে, পুজোর শুরুর মুখে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারির ৭৫ বছর বয়সী চিকিত্‍সক দিলীপ ভট্টাচার্যের। তার পরে পরেই মারা যান চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক ৮০ বছরের সুজন কুমার মিত্র। অপর এক চিকিত্‍সক ৬৫ বছর বয়সী দিলীপ বিশ্বাস কোভিডে আক্রান্ত হয়ে অষ্টমীর দিন সিউড়ি জেলা হাসপাতালে মারা যান। চিকিত্‍সক অমল রায়ও করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিত্‍সাধীন ছিলেন।

মঙ্গলবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। পুজোর সময় পাঁচ চিকিত্‍সক দিলীপ ভট্টাচার্য, সুজনকুমার মিত্র, অমল রায়, শৈবাল দাশগুপ্ত, দিলীপকুমার বিশ্বাসের মৃত্যুতে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এ বিষয়ে অ্যাসোসিয়েশন অব হেল্থ সার্ভিস ডক্টরসের সাধারণ সম্পাদক মানস গুমটা বলেন, ‘চিন্তার বিষয় তো বটেই। এ রাজ্য দৈনিক সংক্রমণের হার বাড়ছে। আমার সাত-আট মাস ধরে লড়াই করে ক্লান্ত। মানুষ যদি সচেতন না হন, স্বাস্থ্য পরিষেবা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তো থাকছেই।

উৎসবের মরসুমেই কেরেনিল ৫ চিকিত্সকের প্রাণ! সরকারকেও আরও কঠোর হতে হবে।’ যদিও রাজ্য সব রকম পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৈরি রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ভবনের এক কর্তা। তিনি বলেন, ‘রাজ্য সরকারের তরফে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আগের থেকে অনেক বেশি পরীক্ষা হচ্ছে দৈনিক। হাসপাতালে বেডের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি।’

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন