লাগাতার বৃষ্টি ও ভূমিধ্বসে (Landslide) কার্যত বিপর্যস্ত কেরলের ওয়েনাড। এখনও পর্যন্ত ১৫৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। একইসাথে ২০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। অনুমান করা হচ্ছে এখনও নিখোঁজ শতাধিক। তবে এই ঘটনায় সংসদে কেরল সরকার কেই দায়ী করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন তিনি দাবি করেন, গত ২৩ জুলাই এই বিপর্যয়ের আগাম সতর্কতা করা সত্ত্বেও কেরল সরকার তা গুরুত্ব দেননি। সেই সঙ্গে আগে থেকে কোন প্রস্তুতিও নেয়নি কেরল সরকার।
সংসদ ভবনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান ২০১৪ সালে ২,০০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয় করে একটি প্রাথমিক সতর্কতা জানানোর ব্যবস্থা করেছিল কেন্দ্র। এবারও সেই ব্যবস্থায় বিপদের আভাস পেয়েই জানানো হয়েছিল কেরলের পিনারাই বিজয়ন সরকারকে। অমিত শাহ বিপর্যয়য়ে প্রাণ হারানো দের সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন,” আমি স্পষ্ট করে আজ বলতে চাই, ২৩ জুলাই ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কেরল সরকারকে এই বিপর্যয়ের আগাম সতর্কতা দেওয়া হয়েছিল। ২৪,২৫, এর পরে ২৬ তারিখেও দেওয়া হয়েছিল ভারী বৃষ্টির ও ভূমিধ্বসের (Landslide) সতর্কত। পাশাপাশি বহু মানুষ চাপা পরে প্রাণ হারাতে পারে বলেও সতর্কতা করা হয়।”
এদিন রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সারা বিশ্বের মধ্যে কেবল ৪ টি দেশই বিপর্যয়ের এই আগাম সতর্কতা দিতে পারে। তার মধ্যে একটি হল ভারত। তাই আগে থেকে সতর্কতা করার পরেও এই আগাম সতর্কতা পদ্ধতির উপর প্রশ্ন করা তা ঠিক নয়। তার অভিযোগ জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল আসার পরেই যদি কেরল সরকার সতরক হয়ে যেত তাহলেও এত প্রাণ হারাত না। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারত সরকার সর্বত ভাবে ঝাঁপাবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
পাশাপাশি এদিন তিনি ওডিশার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “ওডিশার সাইক্লোন বিপর্যয় সম্পর্কেও আগাম সতর্কতা করা হয়েছিল যাতে প্রাণ হারিয়েছে মাত্র ১ জন।” গুজরাটে র প্রসঙ্গ টেনে বলেন,” গুজরাটে সাইক্লোণের আগাম সতর্কতা জারি করার পরে একটি পশুও মারা যায়নি। তারপরেও কিভাবে আগাম সতর্কতা নিয়ে প্রশ্ন করা যায়।”



