নজরবন্দি ব্যুরো: বিজেপির বিরুদ্ধে ১৭৫ আসনে লড়বে জনসংঘ। আজ রাজ্যে প্রথম দফার ভোট৷ পাঁচ জেলা মিলিয়ে মোট ৩০ টি বিধানসভা কেন্দ্রের মানুষ নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করবেন ৷ এর মধ্যে রয়েছে জঙ্গলমহলের একটি বড় অংশ ৷ নির্বাচনে ঘিরে দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায় থাকছে কড়া নিরাপত্তা ৷ বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে দুই মেদিনীপুরের দিকে ৷ কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে সজাগ নির্বাচন কমিশন। তবে এই ভোটের মাঝেই গাইঘাটার ঠাকুরনগরে সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন জনসংঘের রাজ্য সভাপতি সুব্রত মুখোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী এজেন্টকে নন্দীগ্রামে প্রবেশের অনুমতি দিল শীর্ষ আদালত।


শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জনসংঘ থেকে বিজেপির জন্ম, সেই জনসংঘই একুশের বিধানসভা ভোটে ভারতীয় জনসংঘ প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। সাংবাদিক বৈঠকে জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পরিজন রাজ্য সভাপতি সুব্রত মুখোপাধ্যায় জানান, মোট ১৭৫ আসনে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিন ৫টি কেন্দ্রের প্রার্থীও ঘোষণা করেন রাজ্য সভাপতি। প্রার্থী দেওয়া হয়েছে বনগাঁ উত্তর, বাগদা, গাইঘাটা, হরিণঘাটা ও হাবড়া বিধানসভা আসনে।
বিজেপির বিরুদ্ধে ১৭৫ আসনে লড়বে জনসংঘ। বনগাঁ উত্তরে জনসংঘের প্রার্থী হয়েছেন অরবিন্দ বিশ্বাস, বাগদা কেন্দ্রের লড়বেন শিশির সরকার, গাইঘাটার জনসংঘ প্রার্থী হয়েছেন সজল বিশ্বাস, হরিণঘাটা কেন্দ্রে জনসংঘের প্রার্থী বর্ষা দাস বিশ্বাস। আর হাবড়া কেন্দ্র থেকে জনসংঘের প্রার্থী হচ্ছেন কিশোর বিশ্বাস। এদিন জনসংঘের রাজ্য সভাপতি সুব্রত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন” বিজেপি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শ থেকে সরে গিয়েছে। বিজেপি কর্পোরেট পার্টি হয়ে গিয়েছে। মোদী-শাহ দেশকে বিক্রি করে দিচ্ছেন। আমরা এই পরিস্থিতি থেক ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। সেই কারণেই আমরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিলাম।”









