পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার ভারতের জ্বালানি সরবরাহেও পড়তে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল ও ইরানের সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়ছে দেশের LPG ও গ্যাস সরবরাহেও। এই পরিস্থিতিতে বড় ক্রীড়া আয়োজন নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। বিশেষ করে আসন্ন ২০২৬ সালের আইপিএল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ।
বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতে মুখোমুখি রয়েছে United States, Israel ও Iran। এই সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। তারই প্রভাব পড়ছে ভারতের গ্যাস আমদানির উপর।


এদিকে আগামী ২৮ মার্চ Indian Premier League (IPL) ২০২৬ মরশুম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে Bengaluru-তে। কিন্তু দেশের বিভিন্ন শহরে গ্যাস সরবরাহে টান পড়ায় বড় অনুষ্ঠান আয়োজন নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
বিশেষ করে Chennai ও বেঙ্গালুরুর মতো বড় শহরে হোটেল মালিকদের সংগঠন জানিয়েছে, তাঁদের কাছে থাকা LPG মজুত এক বা দুই দিনের বেশি চলবে না। ফলে অনেক হোটেল ইতিমধ্যেই গ্যাস বাঁচাতে খাবারের তালিকা কমিয়ে ফেলছে। এর ফলে অতিথি পরিষেবা চালানোও কঠিন হয়ে পড়ছে।
এই পরিস্থিতিতে Ministry of Petroleum and Natural Gas জানিয়েছে, আপাতত গৃহস্থালি ও জরুরি পরিষেবার জন্য গ্যাস সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। জ্বালানি সরবরাহ সীমিত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।


আইপিএল আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন Arun Dhumal। তিনি জানান, পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। তাঁর কথায়, “পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে। এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। পরিস্থিতি বুঝে ভবিষ্যতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
এর মধ্যেই বেশ কয়েকটি আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি নিজেদের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। Chennai Super Kings-সহ কয়েকটি দল ইতিমধ্যেই অনুশীলন শিবির শুরু করেছে। প্রতিদিন প্রায় দশজন করে ক্রিকেটার সেখানে অনুশীলন করছেন।
অন্যদিকে Kolkata Knight Riders কলকাতায় এবং Punjab Kings ধর্মশালায় নিজেদের প্রস্তুতি শিবির চালাচ্ছে। তবে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে আইপিএল আয়োজন নিয়ে নতুন করে ভাবতে হতে পারে Board of Control for Cricket in India (BCCI)-কে।








