নজরবন্দি ব্যুরোঃ তিনি অগ্নিকন্যা, তিনি তৃণমূলের মুখ, তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সব সময় তিনি এক জন ব্যতিক্রমী চরিত্র। তাই বিধানসভা নির্বাচনে তিনি পায়ে আঘাত নিয়ে বসে থাকবেন তা কখনো হয় নাকি? নন্দীগ্রামে তাঁর আহত হওয়ার ঘটনায় দলের যাতে নির্বাচনের মুখে কোনও সমস্যায় পড়তে না হয় তাই তিনি সোমবার থেকেই প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।


সূত্রের খবর ১৪ মার্চ নন্দীগ্রাম দিবসের দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর কালীঘাটের বাড়ি সংলগ্ন তৃণমূল অফিস থেকে নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করবেন। তারপর সোমবার থেকে শুরু করবেন নির্বাচনী প্রচার। চিকিত্সকেরা চেয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী আরও ৪৮ ঘণ্টা হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে থাকুন। তা ছাড়াও, অন্তত ৭ দিন বিশ্রামের পরামর্শ ছিল চিকিত্সকদের। কিন্তু মমতা কিছুটা জোর করেই বাড়ি ফিরে যান। তাঁকে ৭ দিনের মাথায় ফের পরীক্ষা করার কথা চিকিত্সকদের।
এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন ”আঘাত, যন্ত্রণা সব কিছুর পরেও বলছি, মানুষের কাছে গিয়ে আমাকে দাঁড়াতেই হবে। কারণ নির্বাচন একটি বড় রাজনৈতিক সংগ্রাম। সেখানে মানুষই আমার শক্তি। তাই নিজের কষ্টের থেকে মানুষের সামনে পৌঁছনো আমার কাছে বেশি জরুরি।” আগামী সোমবার থেকে তাঁর প্রচার কর্মসূচীতে আছে ঝাড়গ্রামের লালগড় ও গোপীবল্লভপুরে। পর দিন, মঙ্গলবার তিনি পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা, কেশিয়াড়ি ও খড়্গপুর গ্রামীণ বিধানসভা কেন্দ্রে তিনটি সভা করবেন বলে স্থির আছে।
আগে হাতে মাইক্রোফোন নিয়ে তিনি বক্তৃতা করেন সাধারণত কিন্তু এখন সেতা করতে পারবেন না স্বাভাবিক ভাবেই তাই হুইলচেয়ারে বসে বক্তৃতা করবেন তিনি। সেই কারণে বন্দোবস্ত করা হয়েছে দু’টি হুইলচেয়ারের। নির্বাচনী সফরের সময় বিভিন্ন জেলায় যে সব হোটেল বা গেস্ট হাউসে তিনি রাত্রিবাস করবেন, সেখানেও প্রয়োজনীয় বন্দোবস্ত রাখা হবে।









