নজরবন্দি ব্যুরোঃ হু হু করে বাড়ছে দেশের করোনা সংক্রমণ। সংক্রমণের সংখ্যা এতটাই বেশি যে প্রতিদিন প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ বাড়ছে দেশে কোভিড রোগীর সংখ্যা। আর বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন ভারতে তৃতীয় ঢেউ উপস্থিত হয়েছে। এবং তার সঙ্গে দোসর করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট অমিক্রন। আর এই ওমিক্রন অন্যান্য করোনাভাইরাস এর চেয়ে অনেক বেশি সংক্রমণ করার ক্ষমতা রাখে।
আরও পড়ুনঃ ভেঙে পড়ছে স্বাথ্যব্যাবস্থা, ৩ দিনে ২০০ বেশি চিকিৎসক আক্রান্ত কোভিডে!
দেশের বেশ একটা বড় শতাংশের মানুষ ইতিমধ্যেই করোনা টিকা পেয়ে গিয়েছেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে টিকার ডবল ডোজ নেওয়ার পরেও সংক্রামিত হচ্ছেন অনেক ব্যক্তি। এই অবস্থায় উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন দেশবাসী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই অবস্থায় করোনাভাইরাস কে আটকাতে অবশ্যই মানতে হবে কোভিড বিধি, আর তার সাথে এই মহামারী থেকে বাঁচতে অবশ্যই দরকার মাস্ক।

কিন্তু দেশের মানুষদের মাস্ক পড়ার ব্যাপারে একটা অনীহা রয়েছে। তার সাথে সাধারণ মানুষ পড়ছেন কাপড়ের মাস্ক। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে এই কাপড়ের মাস্ক অমিক্রন বা ডেল্টার মতো অতি সংক্রমিত ভাইরাস ঠেকাতে কি সক্ষম? এই প্রশ্নের উত্তরে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন কাপড়ের মাস্ক গুলি সংক্রমণ আটকাতে কতটা কার্যকর সে ব্যাপারে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ওমিক্রন আটকাতে খুব একটা কার্যকর নয় এই কাপড়ের মাস্ক। বিশেষত একটি স্তর যুক্ত কাপড়ের মাস্ক খুব একটা রুখতে পারে না ওমিক্রন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ওমিক্রন এরোসল এর মাধ্যমে বাতাসে ভেসে থাকে। এই এরোসলের কনা অধিকাংশ ক্ষেত্রে অত্যন্ত ক্ষুদ্রাকৃতি হয়।

কাপড়ের মাস্ক করোনা ঠেকাতে কতটা কার্যকর? কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা
একটি স্তর যুক্ত কাপড়ের মাস্কের পক্ষে যা আটকানো সম্ভব নয়। ভাইরাস রুখতে বিশেষজ্ঞদের বিশেষজ্ঞদের অধিকাংশই পরামর্শ দিচ্ছেন, নূন্যতম তিনটি স্তর যুক্ত মাস্ক ব্যবহার করার। কাপড়ের মাস্ক যদি পরতেই হয় তা হলে তলায় পরতে হবে সার্জিক্যাল মাস্ক। যাঁরা একই কাপড়ের মাস্ক বার বার ব্যবহার করছেন, তাঁদের মাস্ক দিনে অন্তত এক বার করে ধুতেই হবে।



