বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে নিরাপত্তা ঘিরে যখন প্রশাসনের কড়া নজরদারি, ঠিক সেই সময়ই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়াল। সিলেটে এক হিন্দু যুবকের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে ফের প্রশ্ন উঠছে—ভোটের আবহে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত?
ইন্ডিয়া টুডে-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিলেটের মৌলভীবাজার এলাকায় বুধবার সকালে উদ্ধার হয় ২৮ বছর বয়সী রতন সাহুকারের দেহ। পেশায় তিনি চা শ্রমিক ছিলেন। সকাল প্রায় ১০টা নাগাদ তাঁর মৃতদেহ পাওয়া যায়। শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং হাত-পা বাঁধা অবস্থায় দেহটি উদ্ধার করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দেহ উদ্ধারের সময়ও ক্ষতস্থান থেকে রক্ত ঝরছিল।

রতনের সহকর্মীদের অভিযোগ, তাঁকে পরিকল্পিত ভাবে খুন করা হয়েছে। তবে এই হত্যার পেছনে ব্যক্তিগত শত্রুতা, নাকি নির্বাচনী হিংসার প্রভাব রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে এবং সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে।
এদিকে, এর এক দিন আগেই ময়মনসিংহে খুন হন আরও এক হিন্দু ব্যবসায়ী। নিহত সুষেণচন্দ্র সরকার (৬২) চালের ব্যবসা করতেন। অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা তাঁকে কুপিয়ে খুন করে দেহ দোকানের ভিতরে লুকিয়ে রেখে যায়। তাঁর দোকান থেকে লক্ষাধিক টাকা চুরি হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।
ভোটের আগে পরপর এই দুই ঘটনার জেরে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও এই ঘটনাগুলি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে।











