নজরবন্দি ব্যুরোঃ একটানা বৃষ্টির জেরে ফের বিপদ বেড়েছে সুন্দরবন এলাকায়। সেইসঙ্গে রয়েছে কোটালের বিপদ। জলের তোড়ে ভেঙে গেছে বাঁধ। জলমগ্ন সাগর, কাকদ্বীপ, নামখানা, গোসাবা, রায়দিঘি সহ ডায়মন্ড হারবারের বিস্তীর্ণ এলাকা। নদীবাঁধ ভেঙে বাড়ল বিপদ, বিরাট সমস্যায় পড়েছে আমজনতা।
আরও পড়ুনঃ Anubrata Mondal: সিবিআইয়ের নজরে অনুব্রত কন্যা, বোলপুর যেতে পারে সিবিআই
বিপদ বেড়েছিল কয়েক মাস আগে থেকেই। আশঙ্কা ছিল বড়সড় বিপদের। সেটাই হল। শনিবার রাত থেকে একটানা বৃষ্টিতে নামখানা ব্লকের প্রত্যন্ত এলাকা মৌসুনি দ্বীপের সল্টঘেরিতে সমুদ্রবাঁধের বিরাট জায়গা জুড়ে ধস নামে। যার ফলে রবিবার সকাল থেকে জলমগ্ন হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। জলবন্দি একাধিক পরিবার।

রবিবার নামখানার নারায়ণপুর এলাকাতেও বাঁধ উপচে জল ঢুকতে শুরু করে। শনিবারেই বৃষ্টির জেরে বাসন্তী ব্লকের হোগল নদীর বাঁধ ভেঙেছিল। রবিবার সকাল থেকেই ঝড়ে চলেছে বৃষ্টি। যার জেরে রবিবার স্থানীয় কালীমন্দির এলাকায় হোগল নদীর বাঁধে ধস নামে। যার জেরে জল ঢুকে পড়েছে বিস্তীর্ণ এলাকায়। সকাল থেকেই জলমগ্ন কপিলমুনী আশ্রম এলাকা।
এছাড়াও পাথরপ্রতিমার ঘোড়াদল এলাকাতেও বাঁধ ভাঙার খবর মিলেছে। পাশাপাশি কাকদ্বীপ ও ডায়মন্ড হারবার এলাকায় অনেক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে।সেই খবর আসতে শুরু করেছে। নামখানা ব্লকের হাতানিয়া-দোয়ানিয়া নদীর জোয়ারের জলে প্লাবিত নামখানা ও নারায়ণপুর। জলমগ্ন নামখানা বাজার।
নদীবাঁধ ভেঙে বাড়ল বিপদ, জলমগ্ন একাধিক এলাকায়

ইতিমধ্যেই স্থানীয় প্রশাসনের তরফে শুকনো খাবারের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। তবে বন্যার জন্য প্রশাসনের গাফিলতির দিকেই আঙুল তুলছে স্থানীয় বাসিন্দারা, আগে থেকে ব্যবস্থা নিলে এই বিপদ হত না বলেই মনে করছেন অনেকে।



