আরজি কর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর থেকেই জানা যাচ্ছে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে বছরের পর বছর ধরে চলত থ্রেট কালচার। উঠে আসছে উত্তরবঙ্গ লবির প্রভাবের প্রসঙ্গ। যদিও এই সমস্ত দাবি বৃহস্পতিবার নস্যাৎ করলেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।
তিনি বললেন, “ছাত্ররা তো তাই বাচ্চা জানে না। সেই উন্নয়নটা কোনওদিন ছিল না। কিছু নিয়ম হয়তো আছে সেটাকে আমি ভাবছি থ্রেট কালচার। আমি যদি বলি পৌরসভায় ১০টার মধ্যে সই করতে হবে। আর একজন বলবে আমি বামফ্রন্টের সময় ১টার সময় আসতাম , ওইরকম ভাবে আমি কেন থাকব না। মেয়র এসে থ্রেট কালচার দিচ্ছে।”
সরকারি হাসপাতালে থ্রেট কালচারে নাম জড়িয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পারিবারিক চিকিৎসক শ্যামাপ্রসাদ দাসের। আরজি কর হাসপাতাল চত্বরে তাঁর নামে একাধিক পোস্টার দেখা যাচ্ছে তাঁর নামে। যদিও তিনি এই সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেছেন। হাসপাতালে দ্রুত ছাত্র সংগঠন নির্বাচনের দাবি জানিয়ে মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকেরা। এই আবহেই থ্রেট কালচারের অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন ফিরহাদ।



