শেখ হাসিনার দেশ ত্যাগ হল ৩ দিন পার। গঠিত হল অন্তর্বর্তী সরকার এরপরেও থামছে না বাংলাদেশের অশান্তি। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে চিন্তা বাড়াচ্ছে জঙ্গি অনুপ্রবেশ। বাংলা দিয়েই এবার ভারতে প্রবেশ করতে পারে একাধিক জঙ্গি গোষ্ঠী। কারণ রোহিঙ্গাদের একাধিক জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্যরা ইতিমধ্যেই বাংলাদেশেই রয়েছে। এমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করে অনুপ্রবেশে সতর্ক করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দের দাবি বাংলাদেশের অস্থিরতার কারণেই ভারতে বাড়তে পারে রহিঙ্গা অনুপ্রবেশ। সেই কারণেই বাংলা সহ অন্যান্য সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলিকেও সতর্ক করা হয়েছে। তবে এই রহিঙ্গা অনুপ্রবেশের আরও অনেক কারণ রয়েছে। সূত্রের খবর, শেখ হাসিনার আমলে চট্টগ্রামের শিবিরে আটক করা হয় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের। সেই শিবিরেই আশ্রয় নিয়েছিল রোহিঙ্গাদের একাধিক জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্যরা। বাংলাদেশের একাধিক অশান্তির ঘটনায় প্রকাশ্যে এসেছিল জঙ্গিদের উপস্থিতি।


গোয়েন্দা সূত্রে খবর, বিশেষ করে সীমান্ত লাগোয়া মেঘালয়ের ডাউকি, বরাক সীমান্ত এবং পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার ও সুন্দর বনের জলপথ হল এই জঙ্গি গোষ্ঠীর অনুপ্রবেশের মূল ঠিকানা। তাই এইসব এলাকায় বিশেষ করে সতর্ক করা হয়েছে। পাশাপাশি সতর্ক করা হয়েছে সেনা, অসম রাইফেল, এসএসবিকে মিয়ানমার এবং নেপাল সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় গয়েন্দাদের আশঙ্কা বাংলাদেশের কট্টর ইসলামিক মৌলবাদী এবং জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির নেতা এবং সদস্যরা বিমান যাত্রা এড়িয়ে নেপালের রাস্তা ধরে ভারত হয়ে বাংলাদেশে ফিরতে পারেন। এছাড়াও মিয়ানমার চিন সীমান্তে অস্থায়ী বাসস্থান করে থাকা উত্তর পূর্ব ভারতের একাধিক জঙ্গি গোষ্ঠীরাও ফিরতে পারে বাংলাদেশে। অর্থাৎ চিনের মদতেই উত্তর পূর্ব ভারতকে অশান্ত করতে বাংলাদেশের মাটিকেই ব্যাবহার করবে এই জঙ্গি গোষ্ঠীরা। আর ইতি মধ্যেই ভারতের চিন্তা বাড়াতে কাজে নেমে পড়েছে চিন এবং ভারতের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই।








