প্রতারণা ও মানসিক নির্যাতনের জন্যই কি হার্দিকের সাথে ডিভোর্স? নাতাশার পোস্টে তারই ইঙ্গিত

hardik-Natasha: ২০২০ সালের ৩১ মে হার্দিকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

অভিনেতা-মডেল নাতাসা ক্রিকেটার হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সার্বিয়ায় তাঁর ছেলে অগস্ত্যের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। বিচ্ছেদের গুঞ্জন প্রকাশ্যে আসার পর থেকে প্রাক্তন এই দম্পতিকে ঘিরে ছিল আলোকবৃত্ত। বিচ্ছেদ ঘোষণার পরও নাতাশা-হার্দিকের জীবন নিয়ে কম চর্চা হয়নি। কেমন আছেন তাঁরা? কী করছেন? কীভাবে কাটছে তাঁদের সময়? তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অনুরাগীদের আগ্রহের শেষ নেই।

এই সবের মধ্যে দেখা যাচ্ছে নাতাসা ইদানিং সময় এমন কিছু সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট লাইক করছে বা সেই পোস্টে মন্তব্য করছেন যা দেখে মনে হচ্ছে তিনি প্রতারণা ও মানসিক নির্যাতনের স্বীকার। কানে? কারণ এর মধ্যে একটি রিলের ক্যাপশনে লেখা, ‘সেযব পুরুষ নিজের স্ত্রী বাদে বাকি মেয়েদের বিনোদনের কারণ হয়ে ওঠেন। স্ত্রীয়ের সঙ্গে প্রতারণা করতেও দু’বার ভাবে না। তাঁদের স্ত্রীরা তাঁদের জন্য যথেষ্ট নয়। সেই সব পুরুষদের সঙ্গে কোনও মহিলাই সারাজীবন থাকার কথা ভাবতে পারবেন না।’

আবার অন্য একটি রিলে একজন প্রতারকের গুণাবলী কি তা তিনি লিখেছেন, ওই দিলে তিনি বলেন, ‘আবিষ্কার করা যে আপনি বিশ্বাস করেছেন যে কেউ আপনার বিশ্বাসের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে জাহিদ হৃদয়বিদারক হতে পারে। আর তার সম্ভাব্য সতর্কতা চিহ্নগুলি চিনতে আপনাকে সাহায্য করার জন্য, এখানে কিছু গুণাবলী ও আচরণ রয়েছে প্রায় প্রতারকদের সাথে মিলে যায়। তাই সব্বাইকে বলছি চোখ খোলা রাখো’।

এই পোস্টটি দেখে অনেকেই নানা মন্তব্য করেছেন। তাহলে কি নাতাশা প্রতারণা বা মানসিক জন্ত্রনার স্বীকার? উল্লেখ্য তিনি ২০২০ সালের ৩১ মে হার্দিকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। হিন্দু এবং খ্রিস্টান উভয় আচার-অনুষ্ঠান মেনে তাঁদের বিয়ে হয়েছিল।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত