লোকসভা ভোটের আগেই হাইকোর্টের নির্দেশে বাতিল করা হয়েছিল প্রায় ১২ লাখ ও বি সি শংসাপত্র। এরপরেই সেই হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) মামলা করে রাজ্য। সুপ্রিম কোর্টের কাছে হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্তের ছবি তাদের চেয়ে মামলা করা হয়েছিল। কিন্তু সোমবার প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের ডিভিশন বেঞ্চে মিলল না সেই নির্দেশের স্থগিতাদেশ।
এদিন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ রাজ্যের কাছে ওবিসি তালিকাভুক্ত ৭৭ টি সম্প্রদায়ের বিষয়ে হলফনামা জমা দিতে বলেছেন। এবং এক সপ্তাহের মধ্যেই সেই হলফ নামা জমা দিতে হবে রাজ্যকে। পাশাপাশি ওই হলফনামায় উল্লেখ করতে হবে ওই ৭৭ টি সম্প্রদায়ের মধ্যে কি ধরনের সমীক্ষা করা হয়েছিল। এরপরেই আগামী সপ্তাহে শুক্রবার ফের এই মামলার শুনানি হবে। তখনই রাজ্যের এই মামলার স্থগিতাদেশ সম্পর্কে জানানো হবে।
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের পর তৈরি হওয়া ওবিসি শংসাপত্র গুলি আইন মেনে তৈরি হয়নি বলেই অভিযোগ ওঠে কলকাতা হাইকোর্টে। এরপরই বাইশে মে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রাজশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চে ২০১০ সালের পর তৈরি হওয়া ১২ লাখ ওবিসি শংসাপত্র গুলি বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে ওই শংসাপত্র বাতিল হলেও ওই শংসাপত্রে পাওয়া কোন চাকরি বাতিল হবে না। তবে ওই নির্দেশের পর থেকে আর ওই শংসাপত্র কোন চাকরির সংরক্ষণের ক্ষেত্রে বা অন্য কোন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না। এরপরেই ভোটের মরশুমে রীতিমতো চাপে পড়ে যায় রাজ্য সরকার এবং হাইকোর্টের এই নির্দেশকে আপত্তি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয় রাজ্য।



