পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারী এবং শিক্ষকদের বহু বছরের বকেয়া ডিএ-র দাবি আবারও নতুন আলোচনার কেন্দ্রে। মামলার শুনানি শেষ হয়েছে প্রায় দুই মাস আগে, কিন্তু রায় সংরক্ষিত থাকায় কর্মীরা প্রতিদিনই অপেক্ষায় ছিলেন। এই প্রেক্ষাপটে ইউনিটি ফোরামের পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আপডেট সামনে এসেছে, যা রায় ঘোষণার সম্ভাবনা আরও জোরদার করেছে।
ইউনিটি ফোরামের প্রতিনিধি দেবপ্রসাদ হালদার জানান, ডিএ মামলার জাজমেন্ট প্রকাশের মতো অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এতদিন ধরে চলা আইনি লড়াইয়ের পর আদালতের সিদ্ধান্ত খুব শীঘ্রই জানা যেতে পারে বলে তিনি মনে করছেন। কর্মী মহলে যে উৎকণ্ঠা বাড়ছিল, এই বার্তা সেই উত্তেজনাকেই কিছুটা প্রশমিত করেছে।

শুনানি শেষ হওয়ার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও আদালত এখনও রায় দেয়নি। তাই কখন রায় আসবে, তা নিয়ে নানা অনুমান তৈরি হয়েছিল। ফোরামের বক্তব্য অনুযায়ী, রায়ের ঘোষণা ঘিরে দুটি সম্ভাব্য সময়সীমা গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রথম এবং সবচেয়ে প্রবল সম্ভাবনা—চলতি বছরের ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫-এর মধ্যেই বিচারপতি বেঞ্চ রায় ঘোষণা করতে পারে। তবে কোনও কারণে যদি রায় ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশ না পায়, তাহলে দ্বিতীয় সম্ভাবনা হিসেবে ধরা হচ্ছে ২০২৬ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ।
এই মামলার ফল রাজ্যের লক্ষাধিক সরকারি কর্মচারীর আর্থিক অবস্থায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ডিএ বকেয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন, আইনি লড়াই এবং প্রশাসনিক টানাপড়েন চলেছে। সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রকাশিত হলে সেই জট অবশেষে কাটতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে রাজ্য সরকারের আর্থিক নীতি ও ভবিষ্যৎ বাজেট পরিকল্পনার ওপরও এই রায়ের প্রভাব পড়তে পারে।
ইউনিটি ফোরামের আপডেট কর্মী সংগঠনগুলোর মধ্যে আশার সঞ্চার করলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখন শুধুমাত্র আদালতের হাতে। তাই চোখ এখন সুপ্রিম কোর্টের দিকে—কবে সামনে আসবে বহু প্রতীক্ষিত ডিএ মামলার রায়।







