নজরবন্দি ব্যুরোঃ তিলজলার পর মালদহেও একই ঘটনা। গাজোলেও রাজ্য ও কেন্দ্র শিশু সুরক্ষা কমিশনের মধ্যে সংঘাত। কয়েকদিন আগেই এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় শনিবার ওই ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের আধিকারিকরা। এনসিপিসিআর দলের প্রতিনিধিদের তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল গাজোলেও। অভিযোগ, রাজ্যের প্রতিনিধি দল নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাত করতে যেতেই শুরু হয় চরম বিশৃঙ্খলা। এমনকি দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। সেখান থেকে পরবর্তীকালে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ দেখা দেয়।
আরও পড়ুনঃ Shibpur: শনিবার সকাল থেকে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে শিবপুর, চলছে মাইকিংয়ে প্রচার
কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রিয়ঙ্ক কানুনগো জানিয়েছেন, তদন্তকারী আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছি আমরা। শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা যে চিকিৎসক করেছেন, তার সঙ্গে কথা হয় তাঁদের। কিন্তু ঘটনার সময় যে চিকিৎসক দেখেছিলেন তাঁদের সঙ্গে কথা হয়নি। জানা গেছে, ঘটনার পর শিশুটির মা স্কুলের শিক্ষককের সঙ্গে কথা বলেন। তবে শিক্ষক তাঁকে উত্তর দেন যে দু’দিন পর এই বিষয়ে কথা বলতে বলেন। এরপর ওই শিক্ষক স্কুলে আর আসেনি।

তিনি আরও বলেন, শিশুটির পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাঁরা বুঝতে পেরেছেন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাঁর অভিযোগ, এই এলাকায় অনেকের বাড়িতেই সুলভ শৌচালয় নেই। তাই বাথরুমের জন্য বাইরে যেতে হয় ওদের। এখানেই শিশুটির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শিশুটি যাতে ঘর পায় এবং তাঁকে যাতে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়, সেই ব্যবস্থা করবেন তাঁরা।
গাজোলেও রাজ্য ও কেন্দ্র শিশু সুরক্ষা কমিশনের মধ্যে সংঘাত, হাতাহাতিতে তৃণমূল-বিজেপি

পাশাপাশি তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, এখনও অবধি ওই এলাকা সিল করা হয়নি। ফরেন্সিক রিপোর্ট জমা করা হয়নি। এমনকি ফরেন্সিক দলের কাছে নমুনা সংগ্রহের সময় গ্লাভস অবধি ছিল না। খোলাখুলিভাবে পকসো আইনকে এখানে অমান্য করা হচ্ছে। সেই কারণে এই শিশুটির বয়ানই আমাদের এখন ভরসা যাতে অভিযুক্ত উচিত শাস্তি পায়। বাচ্ছাটির মায়ের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। সমস্ত কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তুলে ধরতে চান তাঁরা।



