যত কাণ্ড টালা থানাতেই! তথ্যপ্রমাণ লোপাট নিয়ে বিস্ফোরক CBI, নাটের গুরু অভিজিৎ?

মিথ্যে কিছু তথ্য যুক্ত করা হয় বা বদল করা হয়! আগামী দিনে সিসিটিভি ফুটেজ দেখলে সমস্ত ঘটনা পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে দাবি সিবিআই-এর।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

বুধবার শিয়ালদহ কোর্টে আরজি কর ধর্ষণ ও খুনের মামলায় বিস্ফোরক তথ্য তুলে ধরল সিবিআই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা এজেন্সির তরফে জানানো হল, খাস টালা থানায় বসে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের ছক কষা হয়। মিথ্যে কিছু তথ্য যুক্ত করা হয় বা বদল করা হয়! আগামী দিনে সিসিটিভি ফুটেজ দেখলে সমস্ত ঘটনা পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে দাবি সিবিআই-এর। ঘটনার দিন কারা কারা টালা থানায় গিয়েছিলেন? কাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল? সেই সমস্ত রহস্য রয়েছে সিসিটিভি ফুটেজে।

আরজি কর ধর্ষণ ও খুনের মামলায় তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এবং টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। আজ তাঁদের ফের একবার আদালতে তোলা হয়। যদিও কোর্টে এদিন সিবিআই নিজেদের হেফাজত রাখার আবেদন করেনি। গোয়েন্দারা বরং আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত এই দু’জনকে জেল হেফাজতে রাখার আবেদন জানান। পাশাপাশি, সিবিআই তদন্তের একটি রিপোর্ট মুখবন্ধ খামে আদালতে জমা দিয়েছে, সেখানেই এই বিস্ফোরক তথ্য উঠে এসেছে।

অন্যদিকে, এদিন সন্দীপ ও অভিজিৎকে আদালতে তোলা হলে তুমুল হইহট্টগোল শুরু হয়। আইনজীবীদের তরফে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি এই দু’জনের কঠিন শাস্তির দাবি করা হয়। যদিও আজ সন্দীপ ও অভিজিতের পলিগ্রাফ এবং নার্কো টেস্টের কোনও আবেদন সিবিআই-এর তরফে জানানো হয়নি। তদন্তে আরও সময় প্রয়োজন বলেই জানিয়েছেন গোয়েন্দারা।

আদালতে অভিজিৎ-এর আইনজীবী সাওয়াল করে বলেন, “সিবিআই যখনই আমার মক্কেলকে ডেকেছে, তখনই তিনি সাড়া দিয়েছেন। ২০ থেকে ২৫ তারিখ পর্যন্ত তাঁকে আটকে রাখা হলেও কোনও জেরা করা হয়নি।” অন্যদিকে, সন্দীপ ঘোষের আইনজীবী সাওয়াল করে বলেন, “একজন প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসাবে সেই মুহূর্তে থানার সঙ্গে যোগাযোগ রাখার কর্তব্য ছিল আমার মক্কেলের। তিনি সেই কাজই করেছেন।” একইসঙ্গে দু’জনের জামিনের আবেদন করা হয় আদালতে, যদিও তা খারিজ হয়ে গিয়েছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন