নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুক্রবার দিল্লি জুড়ে অভিযানে নামল সিবিআই। কেজরিওয়ালের ডেপুটির বাড়িতে CBI, উপস্থিত হতেই জাতীয় রাজনীতিতে তুমুল শোরগোল পড়ে গেছে। শুধুমাত্র মনীশ সিসোদিয়ার বাড়ি নয়, দিল্লিজুড়ে একযোগে ২০ টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে সিবিআই। সিবিআইয়ের অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
আরও পড়ুনঃ স্বেচ্ছায় সহবাস করে ধর্ষণের মামলা করা যায় না, সাফ জানালো শীর্ষ আদালত
মনীশ সিসোদিয়া নিজে বলেন, আমরা সিবিআইকে স্বাগত জানাই। তদন্তে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে যাতে দ্রুত সত্য বেরিয়ে আসে। এখন পর্যন্ত আমার বিরুদ্ধে অনেক মামলা হয়েছে, তা থেকে কিন্তু কিছুই বের হয়নি। তা থেকেও কিছু বের হবে না। দেশে সুশিক্ষার জন্য আমার কাজ বন্ধ করা যাবে না। তাঁর কথায়, এটা খুবই দুঃখজনক যে আমাদের দেশে যারা ভালো কাজ করে তারা এভাবে হয়রানির শিকার হয়। এ কারণে আমাদের দেশ এখনও বিশ্বের সেরার সেরা হয়ে উঠতে পারেনি।

সিবিআই সূত্রে খবর, দিল্লি আবগারি নীতিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এর আগে এফআইআর দায়ের করেছিল সিবিআই। তাই উপমুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে সকালেই উপস্থিত হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, আগের তল্লাশি অভিযানে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কিছু পায়নি। এ বারও কিছু পাওয়া যাবে না।
সম্প্রতি অনুমোদন করা হয়নি, এমন এলাকায় মদের দোকান খোলা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছিল। এবিষয়ে নিজের অবস্থান বদল করেন দিল্লির প্রাক্তন উপরাজ্যপাল অনিল বাইজল। মনীশ জানিয়েছিলেন, উপরাজ্যপাল আগে মন্ত্রিসভার এই নীতি অনুমোদন করেছিলেন। পরে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। গোটা বিষয়টিতে সিবিআইয়ের তদন্তে ওপর আস্থা রেখেছিলেন তিনি।
কেজরিওয়ালের ডেপুটির বাড়িতে CBI, চলছে বিরাট তল্লাশি

এবিষয়ে ট্যুইট করে অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, যেদিন দিল্লির শিক্ষার মডেলের প্রশংসা করা হয়েছিল এবং আমেরিকার সংবাদপত্র নিউইয়র্ক টাইমসের প্রথম পাতায় মনীশ সিসোদিয়ার ছবি ছাপা হয়েছিল, সেদিনই কেন্দ্র সিবিআইকে মনীশের বাসভবনে পাঠিয়েছিল। আমি সিবিআইকে স্বাগত জানাই। আমরা সম্পূর্ণ সহযোগিতা করব। অতীতের মতো এবারেও কিছু হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।



