SSC: শিক্ষাকর্মী নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি, CBI তদন্তের নির্দেশ হাই কোর্টের!

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষাকর্মী নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি স্কুল সার্ভিস কমিশনের। চতুর্থ শ্রেণির কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বেলাগাম বেনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ। বেনিয়মের বহর দেখে বিস্মিত কলকাতা হাই কোর্ট। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে কেন্দ্রীয় স্কুল সার্ভিস কমিশনের গ্রুপ ডি নিয়োগের যাবতীয় দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ রাতে আসে বহু অচেনা লোক, শিশু হোম নিয়ে রহস্যজনক ঘটনার পর্দাফাঁস! 

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চে গ্রুপ ডি নিয়োগে বেনিয়মের মামলার শুনানি হচ্ছিল সোমবার। মধ্য শিক্ষা পর্ষদের কাছে এই সংক্রান্ত হলফনামা আগেই চেয়েছিলেন বিচারপতি। সেই হলফনামা দেখার পর অসন্তুষ্ট হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

এদিন শুনানি চলাকালীন, স্কুল সার্ভিস কমিশন কে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় একের পর এক তিরষ্কার করেছেন। কমিশনের পাশাপাশি বোর্ড কেও তুলোধনা করেন তিনি। কমিশন সুপারিশ করেনি বলে বার বার দাবি করেছে, কিন্তু সোমবার হলফনামা দিয়ে বোর্ড জানায় কী ভাবে কমিশন সেই সুপারিশ করেছিল। তাঁরা পূর্নাঙ্গ রিপোর্ট জমা দেয় হাইকোর্টে। সফট কপির পাশাপাশি পেন ড্রাইভ দেওয়া হয়েছে বোর্ডের তরফে। এত প্রমাণ দাখিলের পরেই কমিশন কী করে বলছে সুপারিশ করেনি, তা নিয়ে বিস্মিত হন বিচারপতি।

এরপরেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, এই নিয়োগের পর্দা ফাঁস করার জন্যে সিবিআই এর প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর কথায়, কমিশনের সুপারিশ যদি না করে, তা হলে কার হাত রয়েছে এই দুর্নীতির পেছনে তিনি তা জানতে চান। বিচারপতির প্রশ্ন, কার সুপারিশে ২৫ জন চাকরি পেলেন? সেতা পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। অদৃশ্য ভাবে কে রয়েছে এই ঘটনার পেছনে তাঁকে খুঁজে বার করতে হবে।

SSC: শিক্ষাকর্মী নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি, CBI তদন্তের নির্দেশ হাই কোর্টের!

SSC: শিক্ষাকর্মী নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি, CBI তদন্তের নির্দেশ হাই কোর্টের!
SSC: শিক্ষাকর্মী নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি, CBI তদন্তের নির্দেশ হাই কোর্টের!

কিন্তু কেমন দুর্নীতি? আদালত সূত্রে খবর, স্কুলের ১৩ হাজার শূন্যপদে চতুর্থ শ্রেণির কর্মী নিয়োগের জন্যে ২০১৬ সালে স্কুল সার্ভিস কমিশন কে সুপারিশ করেছিল রাজ্য। সেই মতো পরীক্ষা ও ইন্টারভিউ নেয় এসএসসি। পরে তাঁরা প্যানেল প্রকাশ করে। ২০১৯ সালে ওই প্যানেলের মেয়াদ শেষ হয়। কিন্তু অভিযোগ ওঠে যে, প্রকাশিত প্যানেলের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও নিয়মবহির্ভূত ভাবে প্রচুর নিয়োগ করেছে কমিশন। এই দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করে আগামী ২১ ডিসেম্বরের মধ্যে সিবিআইকে রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।