ছাত্র আন্দোলন ক্রমেই রুপ নিয়েছে ধর্মীয় আন্দোলনে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দেশ ত্যাগের পরেই রীতিমতো অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ। চরম অরাজকতা তৈরি বাংলাদেশে। একের পর জালীয়ে দেওয়া হচ্ছে প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু করে পুলিশ স্টেশন। সেই সঙ্গে হামলা চালানো হচ্ছে সে দেশের সংখ্যালঘুদের অপর। জার আশঙ্কা করা হচ্ছিল সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ নিয়ে। সেই কারণেই সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে কমব্যাট পুলিশ বাহিনী। তারপরেও সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রায় ১২০০ বাংলাদেশির।
বাংলদেশ জ্বলছে অশান্তির আগুনে, আর আঁচ পড়তে শুরু করেছে এপার বাংলায়। এবার সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রায় ১২০০ বাংলাদেশির। এই অনুপ্রবেশকারীদের আটকাল সীমান্তে কর্মরত বিএসএফ জাওয়ান। জলপাইগুড়ির মানিকগঞ্জ সীমান্তের ঘটনা। জানাগেছে কাঁটাতার না থাকার কারণেই চিলডাঙা গ্রামের জিরো পয়েন্টে ঢোকার চেষ্টা করে ওই অনুপ্রবেশ কারীরা। তবে সীমান্ত পেরনোর আগেই অনুপ্রবেশকারীদের আটকে দেয় বিএসএফ। এরপরেই অনুপ্রবেশ রুখতে গ্রামে গ্রামে গিয়ে সতর্ক করছে বিএসএফ।


যদিও এই অনুপ্রবেশের আশঙ্কা করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সতর্ক থাকতে বলেছেন সীমান্তবর্তী এলাকার পুলিশ স্টেশন গুলিকে। অন্যদিকে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা করে স্থল ও জলপথেও বাড়ানো হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। ইতিমধ্যেই পেট্রাপোল স্থলবন্দরেও বাড়ানো হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। স্থলপথের পাশাপাশি জলপথেও চলছে নজরদারি। নাইট ভিশন ক্যামেরায় নজরদারি








