নজরবন্দি ব্যুরোঃ “অপেক্ষা করে থাকুন। আর আপনাদের ২৬ অবধি যেতে হবে না। ২৪ এই বিসর্জন দিয়ে দেবো। সবে মহারাষ্ট্র। এর পর ঝাড়খণ্ড হবে। তারপর রাজস্থান হবে। তারপরেই বাংলায় পৌঁছে যাবো আমরা। এই সরকারকে রাখা যাবে না”। সোমবার কোচবিহারের সভা থেকে এমনটাই হুঁশিয়ারি দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
আরও পড়ুনঃ R. Madhavan: বাংলা ছবিতে অভিনয় করতে হলে বাংলা শিখে তবেই করব, জানালেন মাধবন
উল্লেখ্য, গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে একে একে তৃণমূল থেকে যারা বিজেপিতে গিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম শুভেন্দু অধিকারী। এই মুহুর্তে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসাবে রয়েছেন তিনি। কিন্তু রাজ্য বিজেপির অবস্থা একেবারে জরাজীর্ণ। প্রতিদিন বিজেপিতে বিক্ষুব্ধদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূলে যোগদান হিড়িক লেগেই রয়েছে। তাহলে কোন যুক্তিতে এই কথা বললেন শুভেন্দু?

এই মুহুর্তে ঘরোয়া কোন্দলের কারণে মহারাষ্ট্রে সরকার ধরে রাখা এখন চাপের হয়ে দাঁড়িয়েছে উদ্ধব শিবিরের জন্য। তবে কী তৃণমূলের অন্দরে রয়েছে বিক্ষুব্ধদের ভিড়? তাহলে সেই সংখ্যাটা করত? কীসের ভিত্তিতে একথা বললেন শুভেন্দু? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে।
সবে মহারাষ্ট্র, ২৪ এই বাংলা দখলের ডাক শুভেন্দুর

তিনি আরও বলেন, “মেখলিগঞ্জের বিধায়ক বর্ধমান থেকে হাওয়া। কি সুন্দর! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর দায় কখনই এড়িয়ে যেতে পারেন না। পরেশ অধিকারী তৃণমূলে যোগদানের সময় ত্রিনটি শর্ত রেখেছিল। প্রথম, চ্যাংরাবান্দা ডেভলপমেন্ট অথারিটির চেয়ারম্যান করতে হবে। দুই, তাঁকে লোকসভার প্রার্থী করতে হবে। তিন, তাঁর মেয়েকে চাকরি দিতে হবে। বাড়িতে ২১ জনের চাকরি। তালিকা দেখেছেন? ধন্যবাদ জানাবো বীরাঙ্গনা ববিতাকে। কোর্টে গিয়ে নড়িয়ে দিয়েছেন”।



