ক্রমেই পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে বাংলাদেশের। শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর থেকেই একের পর এক প্রশাসনিক ভবনের দখল নেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। শুধু তাই নয় জালিয়ে দেওয়া হয় শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের একাধিক নেতৃত্বের বাড়ি। যার ফলে আতঙ্কে রয়েছেন সমস্ত আওয়ামী লীগের নেতা মন্ত্রীরা। ভয়ে দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন অনেকে। ভারতেও প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে এসছেন অনেক আওয়ামী নেতা। এবার আর এক আওয়ামী নেতাকে দেশ ছাড়ার আগে বিমানবন্দরেই আটকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর থেকেই প্রাণ বাঁচাতে আত্মগোপন করেছেন বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের নেতারা। এবার প্রাণ বাঁচাতে নেপাল বিদেশ পারি দিচ্ছিলেন আওয়ামী নেতা তথা সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক। এদিন দুপুর ৩ টের সময় তাঁকে বিমানবন্দরেই আটকে দেয় বিমান কর্তৃপক্ষ। সূত্রের খবর দু জন কর্মকর্তাকে নিয়ে নেপাল যাওয়ার জন্য রওনা দিচ্ছিলেন পলক। তাই এদিন পলক সহ তাঁর দুই কর্মকর্তাকেও আটকে দেয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। এরপর এদিন তাঁদের ইমিগ্রেশন হেফাজতে রাখা হয়।
জুনাইদ আহ্মেদ পলক ২০০৮ সালে নাটোর ৩ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নিরবাচিত হন। এরপর থেকে ৩ বার তিনিই সংসদ সদস্য নিরবাচিত হয়েছেন। ২০১৪ সালে তিনি তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী হন। গত ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের পর তাঁকে ডাক ও টেলিযোগাযোগের দায়িত্বও দেওয়া হয়। তবে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের সময় বার বার ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও এই ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের কথা নিজেই স্বীকার করেছেন পলক।



