আরজিকর কাণ্ডের প্রতিবাদে মহালয়ার আগেই পথে নামতে চলেছে চিকিৎসক ও নাগরিক সমাজ। হাইকোর্টের তরফ থেকে দেওয়া হল সেই মিছিলের অনুমতি। ১লা অক্টোবর কলেজ স্কোয়ার থেকে রবীন্দ্র সদন পর্যন্ত মিছিলের অনুমতি চেয়ে বিচারপতি রাজর্সি ভরদ্বাজ এর ডিভিশন বেঞ্চ একটি মামলা হয়। আর সেই মিছিলেই অনুমতি দেয় হাইকোর্ট। পাশাপাশি বলা হয়েছে মিছিল শান্তিপূর্ণ হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক রাখতে হবে।
আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে মহালয়ার আগেই ১লা অক্টোবর বিচারের দাবিতে পথে নামতে চলেছে জুনিয়র চিকিৎসক ও নাগরিক সমাজ। কিন্তু রাজ্যের তরফে সেই মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়নি। সেই কারণে অবশেষে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় জুনিয়র চিকিৎসক ও নাগরিক সমাজ। আর হাইকোর্টের নির্দেশে অনুমতি মিলে সেই মিছিলের। তবে বেঁধে দেওয়া হয় বেশ কিছু শর্ত। বিকেল ৫ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হয়। একই সাথে মিছিলের যাতে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ স্বেচ্ছাসেবক রাখার অনুমতি দেয় আদালত।


এদিন মিছিলে অনুমতি না দেওয়া প্রসঙ্গে আদালতে রাজ্যের আইনজীবী বলেন, “মিছিলে ঠিক কতজন অংশগ্রহণ করবে, সেই সংখ্যা স্পষ্ট করুক চিকিৎসক সংগঠন।” পাল্টা চিকিৎসকদের আইনজীবীর পক্ষ থেকে বলা হয় “মিছিলে যদি সাধারণ মানুষ যোগ দেন তাহলে আমরা সেই সংখ্যা কি করে বলবো?”
অন্যদিকে বিচারপতি রাজশ্রী ভরতদার রাজ্যের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন, “ধরে নেওয়া হলো চিকিৎসকদের এই মিছিলে ১০ লাখ সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করল শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানাতে। তাহলে কি তারা প্রতিবাদ জানাতে পারবেন না? এটা তাদের সাংবিধানিক অধিকার।” এরপর পুজোর প্রসঙ্গ টেনে বিচারপতি বলেন, “আমরা সবাই জানি দুর্গাপুজোর সময় লক্ষ লক্ষ মানুষ রাস্তায় নামেন। তাই এই মিছিলকে এমনটাই মনে করে পুলিশ নিয়ন্ত্রণ করুক। যারা দুর্গাপুজো করেন তারা কি জানেন কত দর্শক আসবেন এখানে?”








