Abhishek Banerjee: সিপিএমের থেকে বিজেপি পিছিয়ে রেখেছে, ত্রিপুরার প্রচারে বিস্ফোরক অভিষেক

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ হাতে গোনা আর মাত্র কয়েকটি দিন বাকি রয়েছে। নির্বাচনের আগে আরও একবার রাজনৈতিক বাকযুদ্ধে উত্তপ্ত ত্রিপুরা। সেখানে গিয়ে বাম শাসনের সঙ্গে ত্রিপুরার বিজেপি সরকারের তুলনা টানলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তাঁর কথায়, সিপিএমের আমলে এক জঘন্য পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ত্রিপুরায়। কিন্তু তার থেকেও ক্ষতি গত ৫ বছরে বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকার করেছে। মানুষ বিজেপির ফাঁদে পা দিয়েছে। সবক্ষেত্রে পিছিয়ে দিয়েছে বিজেপি। অর্থাৎ, সিপিএমের থেকে বিজেপি পিছিয়ে রেখেছে। সেটাই বলতে চাইলেন অভিষেক।

আরও পড়ুনঃ SSC Appointment: তিন সপ্তাহের মধ্যে আড়াই হাজার পদে নিয়োগ, নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

তবে বামেদের পিঠ চাপড়ালেও দাবি করেন সিপি(আই)এম, কংগ্রেস ও তিপ্রা মোথার মতো দলের সামনে কখনই তৃণমূল মাথানত করবে না। অভিষেকের দাবি, বিজেপি একমাত্র তৃণমূলকেই ভয় পায়। রাজ্যের রাজনীতিতে তৃণমূল পা রেখেছে বলেই মুখ্যমন্ত্রী বদলাতে বাধ্য হয়েছে বিজেপি। এরপরই জনতার উদ্দেশ্যে তাঁর আহ্বান, আপনারা যদি সমবেত থাকেন তাহলে সরকারও বদলাবে।

329276326 704728211358667 1801863565719986895 n

চলতি মাসে ত্রিপুরায় গিয়ে অন্যান্য দলের সঙ্গে তুলনা করতে গিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে গিয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বাজেটের পরেই সরকার পড়ে গিয়েছিল। কয়েকজনকে বলা হল রক্ষা করতে। শুক্রবার অভিষেক দাবি করলেন, বিজেপিকে পরাজিত করলেই একমাত্র মূল্যবৃদ্ধি কমবে। তাঁর কথায়, বাংলা এখন এগিয়ে গেছে। বিজেপি শাসনে পিছিয়ে গেছে ত্রিপুরা।

সিপিএমের থেকে বিজেপি পিছিয়ে রেখেছে, ত্রিপুরায় ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপি 

সিপিএমের থেকে বিজেপি পিছিয়ে রেখেছে, ত্রিপুরায় ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপি 
সিপিএমের থেকে বিজেপি পিছিয়ে রেখেছে, ত্রিপুরায় ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপি 

চলতি মাসেই রয়েছে ত্রিপুরার নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে ৬০ টি আসনের মধ্যে ২৮ টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল। অন্যদিকে, জোট করে লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে বাম ও কংগ্রেস। আগের মতোই জোটের ওপর আস্থা রেখে লড়াই করছে বিজেপি। তবে পেবারের নির্বাচনে ত্রিপুরায় বিরাট ফ্যাক্টর হতে পারে তিপ্রা মোথা। তাই নির্বাচনে কী হয়? তৃণমূল কী ফলাফলে বিজেপিকে পিছনে ফেলে দেবে? প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত