গ্রীষ্মের শুরুতেই চড়ছে পারদ, চারিদিকে অসহনীয় গরমে হাঁসফাঁস দশা সাধারণ মানুষের। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, রাজ্যের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এই তীব্র গরমের মধ্যে স্বস্তির বার্তা দিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। তারা জানিয়েছে, চৈত্রের দাবদাহ কাটাতে চলতি সপ্তাহের মাঝামাঝি ধেয়ে আসতে পারে কালবৈশাখী।
দক্ষিণবঙ্গের পাঁচ জেলায় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা
আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হুগলি, হাওড়া এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঝড়-বৃষ্টি তাপমাত্রা অন্তত ৪-৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমাতে পারে। উত্তরবঙ্গেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলার আবহাওয়া বদলের কারণ
বর্তমানে অসম ও হরিয়ানার উপর জোড়া ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। এছাড়া, একটি অক্ষরেখা ছত্রিশগড় থেকে বিদর্ভ পর্যন্ত বিস্তৃত, এবং আরেকটি কর্ণাটক ও তামিলনাড়ুর উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত। এছাড়াও, নতুন পশ্চিমী ঝঞ্ঝা প্রবেশ করতে চলেছে উত্তর-পশ্চিম ভারতের পার্বত্য এলাকায়। এই কারণেই বাংলার আবহাওয়ায় পরিবর্তন আসতে চলেছে।
তাপমাত্রার পরিবর্তন ও আবহাওয়া পরিস্থিতি
আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, কলকাতার তাপমাত্রার সামান্য হেরফের হতে পারে।
- সর্বনিম্ন তাপমাত্রা: ২৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস
- সর্বোচ্চ তাপমাত্রা: ৩৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস
- বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৪৮% থেকে ৯১%
বৃহস্পতি থেকে রবিবার পর্যন্ত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। তবে মঙ্গল ও বুধবার পর্যন্ত গরম অনুভূত হবে এবং রাতে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি অব্যাহত থাকবে।
এই ঝড়-বৃষ্টি কেবলমাত্র স্বস্তি দেবে না, বরং শীতল পরিবেশও বয়ে আনতে পারে। তাই যারা বাইরে বেরোবেন, তারা আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে বেরোন।



