নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। উদ্ধার হয়েছে ২১ কোটির অধিক টাকা। এবার রাজ্যে এসে এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ নিতে চাইলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান৷ কথা বললেন চাকরী প্রার্থীদের সঙ্গে৷ দ্রুত রাজ্য সরকারের কাছ থেকে এবিষয়ে রিপোর্ট নেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি৷
শনিবার সল্টলেকের খড়গপুর আইআইটির গেস্টহাউসে গিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা তাঁকে ডেপুটেশন জমা দেয়। তুলে ধরে নিজেদের বঞ্চনার কথা। চাকরী প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানান, দ্রুত এ বিষয়ে রাজ্য সরকারের থেকে রিপোর্ট চাওয়া হবে। এই বিষয়ে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীকেও চিঠি পাঠানো হবে বলেও জানান ধর্মেন্দ্র প্রধান। বিজেপির তরফে জানানো হয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার যে পরিস্থিতি, যে চরম লাগামহীন দুর্নীতি, তার জন্য ইডি-সিবিআইথেকে সর্বত্র অভিযান শুরু হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার চাকরীর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী চাকরী প্রার্থীদের প্রতারিত করেছেন। সেই বিষয়টি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে তুলে ধরবেন তাঁরা। আজ আলোচনায় সেবিষয়েই উল্লেখ করা হয়েছে৷ সেইসঙ্গে শিক্ষকদের যে বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাওয়ার কথা ছিল, সেটা যেন আরা ভারতের অন্যান্য রাজ্যের মতো এখানেও গঠিত হয়।

পাশাপাশি হাইকোর্টের রায় অনুসারে যাতে বকেয়া ডিএ মেলে কেন্দ্র সরকার যাতে রাজ্যের শিক্ষা পরিকাঠামোর মান উন্নয়নের দিকে চাপ সৃষ্টি করে, সেই দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁরা। তবে আজ ধর্মতলার আন্দোলনস্থলে যাওয়ার কথা ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর৷ কিন্তু একাধিক ব্যস্ত কর্মসূচির কারণে যেতে পারেননি৷ সল্টলেকেই কথা বলেন চাকরী প্রার্থীদের সঙ্গে৷
আরও চাপে রাজ্য সরকার, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে কেন্দ্রের রিপোর্ট তলব!

উল্লেখ্য, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির ইস্যুকে হাতিয়ার করে ময়দানে নামতে চাইছে সমস্ত বিরোধী দলগুলি। এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চায় না বিজেপিও। তাই স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে ময়দানে নামতে চান গেরুয়া শিবিরের নেতারা। এরই মধ্যে কেন্দ্র থেকে চাপ এলে শাসক শিবিরে অস্বস্তি বাড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল৷



