গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছে নরখাদক নেকড়ের দল। আতঙ্কে ঘুম উড়েছে উত্তর প্রদেশের পঁচিশটি গ্রামের বাসিন্দাদের। গ্রামবাসীদের অভিযোগ গ্রামে ঢুকেছে ৭টি নেকড়ের দল। রাতের অন্ধকারে ঘুরে বেড়াচ্ছে তারা। পয়তাল্লিশ দিনে তাদের শিকার হয়েছে ৬ শিশু ও ১ মহিলা। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৫ জন গ্রামবাসী। যদিও বৃহস্পতিবার সকালে ফাঁদ পেতে তাদের মধ্যে আরও একটি নেকড়েকে ধরতে পেরেছে বন দফতরের আধিকারিকরা।
কয়েক দিন ধরে নেকড়ের আতঙ্কে কাটাচ্ছে উত্তর প্রদেশের একাধিক গ্রাম। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, ওই নেকড়ের দলের ৭ জনের মধ্যে ইতিমধ্যেই ৪ জনকে ধরেছে পুলিশ। তবে এখনও ৩ নেকড়ে অধরা। তবে তারা গ্রামের মধ্যেই রয়েছে বলে দাবি গ্রামবাসীদের। ইতিমধ্যেই এই নেকড়ের দলকে ধরতে প্রায় দেড়শ বন দফতরের আধিকারিক নামানো হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় পাতা হয়েছে ফাঁদ। তবে খুব শীঘ্রই বাকি দেরও ধরা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বন দফতরের আধিকারিকরা পাশাপাশি আশ্বস্ত করেছেন উত্তর প্রদেশের বনমন্ত্রীও। তবে যে নেকড়ে গুলিকে ধরা হয়েছে তাদের গতিবিধি জানতে থার্মাল ড্রোন ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে।
গত জুলাই মাসেই প্রথমবার সিকন্দরপুর গ্রামে একটি এক বছরের শিশুকে হত্যা করে এই নেকড়ের দল। তার কিছু দিন পরেই মায়ের সাথে ঘুমিয়ে থাকা একটি ৩ বছরের শিশুকেও শিকার করে নেকড়ের দল। পরের দিন একটি খেতের ধারে উদ্ধার হয় ওই শিশুর অবশিষ্টাংশ। এরপর থেকেই একাধিক আক্রান্তের ঘটনা ঘটে। সব মিলিয়ে নেকড়ের শিকার হয় ৭ জন। উত্তরপ্রদেশের ওই গ্রাম গুলির মধ্যে রয়েছে বিশাল বিশাল জঙ্গল ও খেত। ফলে নেকড়েদের সহজে ধরা সম্ভব হচ্ছিলনা। তবে এখনও যেহেতু বাকি নেকড়ে গুলি অধরা তাই কার্যত আতঙ্কেই রয়েছেন গ্রামবাসীরা।



