সিঙ্গুর আবারও বাংলার রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের পর চলতি মাসেই হুগলির সিঙ্গুরের মাটিতে পা রাখতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৮ জানুয়ারি সিঙ্গুরে সভা করবেন তিনি। শুধু রাজনৈতিক সমাবেশ নয়, সেই মঞ্চ থেকেই বাংলার বাড়ি প্রকল্পের কিস্তি প্রদান করবেন মুখ্যমন্ত্রী। আর এই সফর ঘিরেই জেলাজুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে জল্পনা—শিল্প নিয়ে কি কোনও বড় বার্তা দিতে চলেছেন মমতা?
মুখ্যমন্ত্রীর সফরের খবর ছড়াতেই হুগলি জুড়ে সাজ সাজ রব। প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে পুরোদমে। তৃণমূলের অন্দরমহলে আলোচনা, সিঙ্গুরের মঞ্চটি শুধুই জনসভা নয়—রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

উল্লেখ্য, সিঙ্গুর দীর্ঘদিন ধরেই বাংলার শিল্প রাজনীতির প্রতীক। সেই কারণেই নরেন্দ্র মোদি-র সাম্প্রতিক সফরের পরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সেখানে যাওয়াকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
তৃণমূল সূত্রে খবর, সভার মূল আকর্ষণ থাকবে রাজ্য সরকারের সামাজিক প্রকল্পগুলি। তবে শিল্প নিয়ে কোনও ইতিবাচক বার্তা বা ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের ইঙ্গিত মিলতে পারে কি না, সে দিকেই নজর শিল্পমহল ও রাজনৈতিক মহলের একাংশের। কারণ, সিঙ্গুর মানেই শিল্প-বিতর্ক, শিল্প-স্বপ্ন ও রাজনৈতিক বার্তার মেলবন্ধন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রের বার্তার পাল্টা হিসেবে রাজ্য সরকার শিল্প-বান্ধব ভাবমূর্তি তুলে ধরতে পারে এই সভা থেকেই। ফলে ২৮ জানুয়ারির সিঙ্গুর সভা শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়—এটি হতে পারে আগামী দিনের অর্থনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ।
সব মিলিয়ে প্রশ্ন একটাই—মোদির পর মমতার সিঙ্গুর সফর কি শিল্প নিয়ে নতুন কোনও দিশা দেখাবে?







