শুনানির জেরে পিছিয়ে যাচ্ছে নিয়োগ প্রক্রিয়া, উচ্চ প্রাথমিকে নতুন জট।

শুনানির জেরে পিছিয়ে যাচ্ছে নিয়োগ প্রক্রিয়া, উচ্চ প্রাথমিকে নতুন জট।
শুনানির জেরে পিছিয়ে যাচ্ছে নিয়োগ প্রক্রিয়া, উচ্চ প্রাথমিকে নতুন জট।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুনানির জেরে পিছিয়ে যাচ্ছে নিয়োগ প্রক্রিয়া, উচ্চ প্রাথমিক নিয়োগে নতুন জট তৈরী হয়েছে এবার। ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কাট-অফ স্কোরের উপরে নম্বর থাকা সত্ত্বেও বহু প্রার্থীর তালিকায় নাম নেই বলে অভিযোগ উঠেছিল। সেই কারণে তাদের অনলাইন ভেরিফিকেশন ডকুমেন্টস আপলোড রিজেক্ট করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। এছাড়াও বহু চাকরিপ্রার্থী অভিযোগ করেছেন ভেরিফিকেশন করার পরেও ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কোনও তালিকাতেই তাঁদের নাম নেই।

আরও পড়ুনঃ টেট উত্তীর্ণ না হয়েও চাকরি করছেন প্রাথমিকে, বেনিয়মের শিখরে শিক্ষক নিয়োগ।

সেই কারণে চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ জানানোর সময়সীমা ৩১ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। কিন্তু এত অভিযোগ জমা পড়ে যা স্ক্রুটিনি করে আদালত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নিয়োগ তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলে জানাচ্ছে কমিশন সূত্র। সূত্রের দাবি সব অভিযোগ খতিয়ে দেখে নিয়োগপত্র প্রকাশে কমপক্ষে ৩ মাস সময় লাগবে। কমিশন সূত্রে খবর, অভিযোগ যাচাই চলাকালীন গত ১০ আগস্ট থেকে শুরু হয় শুনানি প্রক্রিয়া।

গত ১০ থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার ১১৫ জন প্রার্থীর অভিযোগের শুনানি হয়। বুধবার থেকে শুরু হয়েছে আরও ৩ হাজার ৪৮৪ জন প্রার্থীর শুনানি পর্ব। চলবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। হবু শিক্ষকদের জন্যে খারাপ খবর টি হল, অফলাইন ও অনলাইন মিলিয়ে প্রায় ২৬ হাজার অভিযোগ জমা পড়েছে। আদালতের নির্দেশর প্রতিটি অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে কমিশনের অফিসে। যার ভিত্তিতে আবার অভিযোগকারীদের আলাদা আলাদা করে নাম তুলতে হবে আলাদা পোর্টালে। এবং ইন্টারভিউয়ের ভিত্তিতে তৈরি মেধাতালিকা হাই কোর্টে পেশ করতে হবে।

শুনানির জেরে পিছিয়ে যাচ্ছে নিয়োগ প্রক্রিয়া, কবে চাকরি হবে উচ্চ প্রাথমিকে?

শুনানির জেরে পিছিয়ে যাচ্ছে নিয়োগ প্রক্রিয়া, উচ্চ প্রাথমিক নিয়োগে নতুন জট তৈরী হয়েছে এবার। ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পর নিয়োগ প্রক্রিয়ায়

উল্লেখ্য, আদালতের সিঙ্গল বেঞ্চের রায় অনুযায়ী, ১০ জুলাই কমিশন দু’সপ্তাহ ধরে অভিযোগ গ্রহণ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। কিন্তু পরে ২০ জুলাই ডিভিশন বেঞ্চ চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ গ্রহণের সময়সীমা ৩১ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করার নির্দেশ দেয়। এছাড়াও রায়ে বলা হয় নিয়োগ প্রক্রিয়া জারি থাকলেও উচ্চ প্রাথমিকে ডিভিশন বেঞ্চের অনুমতি ছাড়া নিয়োগ করা যাবে না কাউকে। এদিকে এত অভিযোগ জমা পড়েছে যা খতিয়ে দেখতে কমপক্ষে ৩ মাস সময় লাগবে বলে জানা যাচ্ছে। তাই শুনানির জেরে পিছিয়ে যাচ্ছে নিয়োগ প্রক্রিয়া। সুতরাং পুজোর আগে কোনভাবেই নিয়োগপত্র দেওয়া সম্ভব নয় হবু শিক্ষকদের হাতে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here