আগে লিস্টে নাম ছিল, এখন নেই…অথচ নাম্বার বেশি! উচ্চ-প্রাথমিক নিয়োগে ফের মামলা হাইকোর্টে।

আগে লিস্টে নাম ছিল, এখন নেই...অথচ নাম্বার বেশি! উচ্চ-প্রাথমিক নিয়োগে ফের মামলা হাইকোর্টে।
আগে লিস্টে নাম ছিল, এখন নেই...অথচ নাম্বার বেশি! উচ্চ-প্রাথমিক নিয়োগে ফের মামলা হাইকোর্টে।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ আগে লিস্টে নাম ছিল, এখন নেই…অথচ নাম্বার বেশি! উচ্চ-প্রাথমিক নিয়োগের ইন্টারভিউ লিস্ট নিয়ে ফের মামলা হল কলকাতা হাইকোর্টে। গত ১১ই ডিসেম্বর উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য। স্বজনপোষন ও দুর্নীতির অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল উচ্চ প্রাথমিকের পরীক্ষার্থীদের একাংশ। সেই মামলাতেই রায় শোনান বিচারপতি। রাজ্য সরকার কে নির্দেশ দেন ২০২১ সালের ৪ জানুয়ারি থেকে তথ্য যাচাইয়ের কাজ শুরু করতে হবে। পাশাপাশি ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ একা দেবাঞ্জনেই শেষ নয়! বাঁশদ্রনি তে অভিযোগ দাখিল হলো ভুয়ো মানবাধিকার কমিশনের অফিসারের নামে

সেইমত যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে মাঠে নামে স্কুল সার্ভিস কমিশন। চাকরিপ্রার্থীদের নথি যাচাই বা ভেরিফিকেশন শুরু হয় ৪ জানুয়ারি থেকে। গত শনিবার, ১৯ জুন বিজ্ঞপ্তি জারি করে ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশের কথা জানিয়েছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেইমত ২১ জুন ২০২১, উচ্চ প্রাথমিকের শূন্যপদে ১৪ হাজার ৩৩৯ শিক্ষক নিয়োগের জন্য ইন্টারভিউয়ের তালিকা প্রকাশ করেছে এসএসসি। আর তা নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক। গত বছরের ১১ই ডিসেম্বর স্বজনপোষন ও দুর্নীতির অভিযোগে হওয়া মামলায় উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। নিয়োগে বেনিয়ম, অযোগ্যদের সুযোগ দিয়ে যোগ্যদের বাতিল ইত্যাদি একাধিক ইস্যু নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল উচ্চ প্রাথমিকের পরীক্ষার্থীদের একাংশ।

সেই মামলাতেই রায় শোনান বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য।। রাজ্য সরকার কে নির্দেশ দেন ৪ জানুয়ারি ২০২১ থেকে তথ্য যাচাইয়ের কাজ শুরু করতে হবে। এবং ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ইন্টারভিউ লিস্ট প্রকাশ করতে হবে ১০ই জুনের মধ্যে। যদিও ১০ই জুন পেরিয়ে যাওয়ার ১১ দিন পরে ইন্টারভিউ লিস্ট প্রকাশ করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে চাকরিপ্রার্থীদের। কিন্তু বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না।

আগে লিস্টে নাম ছিল, এখন নেই…অথচ নাম্বার বেশি! আপার নিয়োগে ফের মামলা হাইকোর্টে। অভিযোগ এবার ভিন্ন। মামলাকারীদের আইনজীবী দিব্যেন্দু চ্যাটার্জী জানিয়েছেন, তাঁদের মামলা মূলত পলিটিক্যাল সায়েন্স এবং সংস্কৃত বিষয়ের ওপর। অভিযোগ গতবার লিস্টে নাম ছিল, কিন্তু নয়া লিস্টে নাম নেই চাকরিপ্রার্থীদের। এদিকে যাঁদের নাম রয়েছে লিস্টে এমন একাধিক পরীক্ষার্থীদের থেকে বেশি নাম্বার পেয়েছেন পিটিশনাররা। আইনজীবী জানিয়েছেন আগামীকাল বিচারপতি অভিজিৎ গন্দ্যোপাধ্যায়ের কোর্টে এই মামলার শুনানি হবে।