উচ্চপ্রাথমিক নিয়োগ মামলার শুনানি। আজ কি হল হাইকোর্টে? #Exclusive

উচ্চপ্রাথমিক নিয়োগ মামলার শুনানি। আজ কি হল হাইকোর্টে? #Exclusive

নজরবন্দি ব্যুরোঃ উচ্চপ্রাথমিক নিয়োগ মামলার শুনানি। আজ কি হল হাইকোর্টে? উচ্চ প্রাথমিকের গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি হল কলকাতা হাইকোর্টে। ইচ্ছামত টেটের নাম্বার বাড়িয়ে দেওয়া, রেসিও না মানা প্রভৃতি অভিযোগে জেরবার আপার প্রাইমারি নিয়োগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি আজ শুরু হয় দুপুর ১২ টা নাগাত। আক্তারুল ইসলাম বনাম রাজ্য সরকার এবং ভানু রায় বনাম রাজ্য সরকার। এই দুটি মামলা বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্যের বেঞ্চে শুনানি হয়।

আরও পড়ুনঃ চূড়ান্ত সাফল্যের পথে ব্রিটেন। জোড়া অ্যান্টিবডি যুক্ত করোনার ওষুধ বানাল অক্সফোর্ড।

কয়েকদিন আগে চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষের আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য্য একে একে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোথায় কোথায় যোগ্য প্রার্থীদের প্রতি বঞ্চনা করা হয়েছে সেই বিষয়গুলি তুলে ধরেন। যার মধ্যে ছিল মেরিট লিস্টের অসঙ্গতি। ইন্টারভিউতে পেনশিল দিয়ে নাম্বার দেওয়া। রেশিও না মেন্টেইন করা ইত্যাদি। পাশাপাশি ভানু রায় মামলায় চাকরিপ্রার্থীদের আর এক আইনজীবী ফিরদৌস শামিম প্রায় ৪০০ পাতার সাপ্লিমেন্টরি জমা দেন। এরপর বিচারপতি মামলাকারীদের আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলেন। কি করলে সব কিছুর সমাধান হতে পারে তা কোর্টের সামনে বিশদে ব্যাখ্যা করতে।

সেইমত পরের শুনানিতে চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষের আইনজীবীরা বিচারপতিকে একাধিক তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি বলেন পাহাড় প্রমান দূর্নীতি হয়েছে উচ্চ প্রাথমিকে। তাই স্বচ্ছতার সাথে পুনরায় মেরিট লিস্ট প্রকাশ করতে হবে। এরপর রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত ৯ সেপ্টেম্বর সরকারি রুল গুলি পেশ করেন। পাশাপাশি অ্যাডভোকেট জেনারেল এই সংক্রান্ত যত মামলা রয়েছে তাঁর একটা তালিকা তুলেদেন বিচারপতির হাতে। কিশোর দত্ত মূলত হাইকোর্টের কাছে জানতে চান সিলেকশন প্রসেস চলাকালীন রিট পিটিশন মেনটেইন হবে কি হবে না।

উচ্চপ্রাথমিক নিয়োগ মামলার শুনানি। বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্য বলেন, আক্তারুল বা ভানু রায়ের যে মামলা চলছে এই মামলায় যা অর্ডার হবে সেই রায় কার্যকর হবে এই ধরনের যাবতীয় মামলার ক্ষেত্রে। তিনি জানান পরের শুনানি হবে ১৫ই সেপ্টেম্বর। আজ সেইমত শুনানি শুরু হয় দুপুর ১২ টায়। মহামান্য বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্য অ্যাডভোকেট জেনারেল কে আজ জানতে চান, তিনি যে রিট পটিশনের ৭৭৬ টি তালিকা দিয়েছেন তা কি সম্পূর্ণ? না আরও আছে? কিশোর দত্ত জানান এটি সম্পূর্ণ তালিকা নয়।

তখন চাকরিপ্রার্থীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বিচারপতিকে বলেন, “স্কুল সার্ভিস কমিশন আমাকে একটা চিঠি কমিউনিকেট করেছিল গত ১১-০৮-২০২০। যেখানে ১৯৭৯ টা রিট পিটিশন পেন্ডিং কিন্তু এখানে মাত্র ৭৭৬ টা আছে। সুতরাং এই ৭৭৬ টি বাদ দিয়েও কমপক্ষে ১২০৩ টি রিট পিটিশন এখনও পেন্ডিং রয়েছে।” তখন অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, আরও প্রায় ১৮০০ টি রিট পিটিশন এখনও পেন্ডিং রয়েছে। সেগুলো প্রধান বিচারপতির সেক্রেটারি কে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি সেক্রেটারি কে অনুরোধ করা হয়েছে এই বেঞ্চে তুলে দেওয়ার(অ্যাসাইন) জন্যে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে প্রায় আড়াই হাজার রিট পিটিশন পেন্ডিং রয়েছে। সব শুনে বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্য আগামী সোমবার ফের শুনানির দিন ধার্য করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x