রায়-এর প্রত্যাবর্তনের রায়! মুকুল প্রসঙ্গে পজিটিভ ইঙ্গিত সৌগতর

রায়-এর প্রত্যাবর্তনের রায়! মুকুল প্রসঙ্গে পজিটিভ ইঙ্গিত সৌগতর
রায়-এর প্রত্যাবর্তনের রায়! মুকুল প্রসঙ্গে পজিটিভ ইঙ্গিত সৌগতর

নজরবন্দি ব্যুরোঃ রায়ের প্রত্যাবর্তনের রায়! এই মুহুর্তে বাংলা রাজনীতিতে অন্যতম আলোচনার বিষয় মুকুল রায়ের পুরানো ঘরে প্রত্যাবর্তন। বেশ কয়েকদিন ধরেইমুকুল রায় এবং তাঁর পুত্রর পোস্ট দেখে আলোচনা চলছিলোই তাহলে কি আবার তৃণমূলে ফিরছেন বঙ্গ রাজনীতির চানক্য।

আরও পড়ুনঃ ‘দয়া করে দাড়ি কামান’, নাপিত খরচের ১০০ টাকা পাঠিয়ে মোদীকে অনুরোধ চা বিক্রেতার।

জল্পনা বাড়িয়েদিয়েছিলেন খোদ মুকুল পুত্র। এদিকে মুকুল জায়া হাসপাতালে ভর্তি থাকার সময়ে দেখতে গিয়েছেন অভিষেক বন্দোপাধায়। তার পর থেকেই জোর গুঞ্জন। সুত্রের খবর একাধিক অনুগামী নেতা মুকুলের বাসভবনে বৈঠকও করছেন। অনুপস্থিত থাকছেন দিলীপের ডাকা বৈঠকেও। সব মিলিয়ে তাঁর দলবদলের জল্পনা যখন তুঙ্গে তখন তৃণমূল নেতা সৌগত রায়ের মন্তব্যে পজিটিভ বার্তা সামনে এসেছে।

ভোটের আগে বাংলায় একপ্রকার দলবদলের খেলা চলেছিল, বিজেপি হেরে যাওয়ার পর সেই খেলা শুরু হয়েছে আবার। নির্বাচন পূররেব যাঁরা ঘর ছেড়েছিলেন, তারা আবার ফিরতে চাইছেন পুরানো ঘরে। কিন্তু এই বিষয়ে আপাতত সম্মতি দিচ্ছে ঘাসফুল শিবির। সকলের এক মত, দলের প্রয়জনে যাঁরা দলের হাত ছেড়ে গিয়েছিলেন অন্য দলে, এখুনি তাঁদের নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে না দল। তা সেই রাজীব বন্দোপাধায় থেকে সোনালি গুহ, তালিকা যতোই লম্বা হোকা না কেন।

তবে সেসবের মধ্যেই মুকুল নিয়ে যে অতটা কঠিন নয় তৃণমূল সেকথা স্পস্ট হয়েছে তৃণমূলের প্রথম সারির নেতা সৌগত রায়ের মন্তব্যে। দলবদলুদের বিষয়ে মন্তব্য করেত গিয়ে তিনি জানিয়েছেন,‘‘অনেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তাঁরা ফিরে আসতে চান। আমি মনে করি, প্রয়োজনের সময়ে তাঁরা দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন। সকলের বিষয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে আমার মতে, বিষয়টিকে দু’টি ভাগে ভাগ করতে হবে— নরমপন্থী ও কট্টরপন্থী।”

আর এই কট্টর পন্থী নরম্পন্থী ভাগের উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, ‘‘অনেকে আছেন, যাঁরা দল ত্যাগ করেছেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কখনও অপমান করেননি। অন্যদিকে, কট্টরপন্থীরা প্রকাশ্যেই তাঁকে অপমান করেছিলেন। শুভেন্দু অধিকারী চলে যাওয়ার পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বদনাম করেছেন। তবে মুকুল রায় কখনই মুখ্যমন্ত্রীকে প্রকাশ্যে অপমান করেননি।’’

মুকুল প্রসঙ্গে এর আগেও সুর নরম করেছেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কালে বহু দিনের সঙ্গী সম্পর্কে বলেছিলেন, “মুকুল বাজে কথা বলেনা”। এমনিতেও গোটা নির্বাচনে কালে মুকুল রায় তৃণমূলের নামে সেই অর্থে কটাক্ষ কুৎসা করেননি। কখণ কতাক্ষ করেননি প্রতিপক্ষ তৃণমূলের প্রার্থীকেও। চুপচাপ ভোট লড়েছেন, জিতেছেন এবং তার পর থেকেও এক প্রকার চুপই থেকেছেন তিনি। সেই আবহেই সৌগত রায়ের এই মন্তব্য সম্ভাবনা বেশ কিছুটা বাড়িয়ে দিল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here