নির্বাচন কমিশন কে সাক্ষাতে পত্রবোমা তৃণমূলের, ৩ পাতাতেই বাজিমাত?

নির্বাচন কমিশন কে সাক্ষাতে পত্রবোমা তৃণমূলের, ৩ পাতাতেই বাজিমাত?
নির্বাচন কমিশন কে সাক্ষাতে পত্রবোমা তৃণমূলের, ৩ পাতাতেই বাজিমাত?

নজরবন্দি ব্যুরোঃ নির্বাচন কমিশন কে সাক্ষাতে পত্রবোমা তৃণমূলের। কমিশনের অনুমতির অপেক্ষা করছে দল। কিন্তু মিলছিল না অনুমতি। তাই আজ তিন পাতার চিঠি হাতে নির্বাচন কমিশনের দুয়ারে পৌছালেন তৃণমূলের ৬ সাংসদের প্রতিনিধি দল। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে কথা বলার পর রাজ্যে দ্রুত উপনির্বাচনের আশা দেখছে তৃণমূল।

আরও পড়ুনঃ ফের একসাথে বিনয় গুরুং, নতুন সমীকরণ পাহাড়ের রাজনীতিতে!

সুদীপ বন্দোপাধ্যায়, সৌগত রায়, কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুখেন্দু শেখর রায় ও ডেরেক ও’ব্রায়ান। এই ছয় সাংসদ এদিন পৌঁছে যান নির্বাচন কমিশনের দফতরে। দ্রুত উপনার্বাচন করানোর দাবীর স্বপক্ষে একটি ৩ পাতার চিঠি তুলে দেন কমিশনারের হাতে। সেই চিঠিতে বিষদে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে ঠিক কতটা সঠিক পরিস্থিতি রয়েছে বাংলাতে এখন উপনির্বাচন করানোর।

নির্বাচন কমিশন কে সাক্ষাতে পত্রবোমা তৃণমূলের, ৩ পাতাতেই বাজিমাত?
নির্বাচন কমিশন কে সাক্ষাতে পত্রবোমা তৃণমূলের, ৩ পাতাতেই বাজিমাত?

নির্বাচন কমিশন কে সাক্ষাতে পত্রবোমা তৃণমূলের, ৩ পাতাতেই বাজিমাত?

নির্বাচন কমিশন কে সাক্ষাতে পত্রবোমা তৃণমূলের। চিঠির ছত্রে ছত্রে প্রমাণ দেওয়া হয়েছে কেন নির্বাচন করান সম্ভব এখন। সাথে দেওয়া হয়েছে কোভিড পরিস্থিতি উন্নত হওয়ার পরিসংখ্যান। একে দেখান হয়েছে কোভিড উর্দ্ধমুখী হওয়ার পর নিম্নমুখী হওয়ার গ্রাফ। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ টে নাগাদ জাতীয় নির্বাচন কমিশনে যান তৃণমূলের ৬ সাংসদ।

নির্বাচন কমিশন কে সাক্ষাতে পত্রবোমা তৃণমূলের, ৩ পাতাতেই বাজিমাত?
নির্বাচন কমিশন কে সাক্ষাতে পত্রবোমা তৃণমূলের, ৩ পাতাতেই বাজিমাত?

ছয় তৃণমূল সাংসদ যখন দিল্লীতে দরবার করছেন তখন রাজ্যে দাঁড়িয়ে নির্বাচনের স্বপক্ষে সওয়াল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এই মুহুর্তে রাজ্যে পরিস্থিতি ভালো আগের থেকে, কেন্দ্র গুলিতে কমছে কোভিডের গ্রাফ। তাঁর কথায়, ‘‘আমি ভবানীপুর নিয়ে কলকাতা পুরসভার একটা রিপোর্ট দেখছিলাম। অনেক ওয়ার্ডই কোভিডশূন্য।’’

 

a6739b2288ab4c168388cf3a3e20fa1c 0003

লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ”রাজ্যের মানুষের দাবি, ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর ৬ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হোক উপনির্বাচন। সেকথা আমরা কমিশনকে জানিয়েছি। এখন করোনা পরিস্থিতি অনেকটা ভাল রাজ্যে। তাই যত দ্রুত সম্ভব, এই কাজ শেষ হলে ভাল। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে কথা হয়েছে। উনি আমাদের সব কথা শুনেছে। কমিশনেরও সুবিধা-অসুবিধার কথা আমাদের জানিয়েছেন। সদর্থক বৈঠক হয়েছে। আমরা আশা নিয়েই যাচ্ছি।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here